ব্রয়লার মুরগি পালন বই PDF অনেক কৃষি খামারি ভাই খুঁজে থাকেন ৷ কেননা, যেকোনো কৃষি বিষয়ক হাঁস, মুরগি, গরু-ছাগল খামার দিতে হলে প্রথমেই জানতে হবে সঠিক গাইড লাইন ৷ এই ক্ষেত্রে প্রয়োজন পড়াশুনা, কোর্স ও অভিজ্ঞতা ৷ সঠিকভাবে না জেনে কোনো কিছুর খামার দেওয়া বোকামি ছাড়া আর কিছুই না ৷ তাই আপনি যদি ব্রয়লার মুরগি পালন অথবা খামার দিতে চান তাহলে পড়তে পারেন ড. মোঃ আখতার হোসেন চৌধুরী লেখা আধুনিক পদ্ধতিতে ব্রয়লার মুরগী পালন ও চিকিৎসা ও মাংস বৃদ্ধির উপায় বইটি ৷
এই বইটিতে আধুনিক পদ্ধতিতে ব্রয়লার মুরগি পালন সম্পর্কে, চিকিৎসা সম্পর্কে ও ব্রয়লার মুরগীর মাংস বৃদ্ধির করার প্রয়োজনীয় তথ্যাদি লিপিবদ্ধ হয়েছে। উক্ত বইটি পড়ে সঠিকভাবে জ্ঞান লাভ করে একটি পোলট্রি ফার্ম গড়ে তুলে লাভবান হওয়া সম্ভব।
বইটিতে মোট ৬ টি অধ্যায় রয়েছে। যথা-
- ১. পোলট্রি শিল্পের গোড়ার কথা।
- ২. ব্রয়লার মুরগীর পালন ব্যবস্থাপনা।
- ৩. ব্রয়লার মুরগীর পরিচর্যা।
- ৪. ব্রয়লার মুরগীর খাদ্য ও পুষ্টি।
- ৫. ব্রয়লার মুরগীর বিভিন্ন রোগ ও তার প্রতিকার।
- ৬. ব্রয়লার মুরগীর মাংস বৃদ্ধির উপায়।
এখানে উল্লেখ্য যে আধুনিক পদ্ধতিতে ব্রয়লার মুরগি পালন করে কিভাবে আর্থ সামাজিক অবস্থার উন্নয়নের মাধ্যমে দারিদ্র বিমোচন করা যাবে সে সব বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে।
বই বিবরণ
- বইয়ের নামঃ আধুনিক পদ্ধতিতে ব্রয়লার মুরগী পালন ও চিকিৎসা ও মাংস বৃদ্ধির উপায় ৷
- লেখকঃ ড. মোঃ আখতার হোসেন চৌধুরী ৷
- প্রকাশনীঃ প্রান্ত প্রকাশন ৷
- প্রথম প্রকাশঃ ২০০৮ ৷
- পেইজ সংখ্যাঃ ১২৮টি ৷
- ক্যাটাগরিঃ কৃষি বিষয়ক বই ৷
📑 সূচিপত্র
ব্রয়লার মুরগি পালন করা হয় কেন?
বাংলাদেশ একটি সম্ভাবনাময় কৃষি প্রধান দেশ। এ দেশের প্রায় ৪০% লোক দারিদ্র সীমার নীচে বসবাস করে। আমাদের দেশে মুরগী পালন করা হয় দুটি উদ্দেশ্যে। প্রথমটি হল ডিমের জন্য ও দ্বিতীয়টি হল মাংসের জন্য। যতদিন যাচ্ছে মুরগীর মাংসের চাহিদা তত বেড়ে যাচ্ছে। তার প্রধান কারণ হল মুরগীর মাংসের দামটা মানুষের হাতের নাগালের ভিতর। এ ছাড়াও রোগীসহ সব বয়সের মানুষের মুরগীর মাংস ক্ষেতে কোন বাধা নেই। কারণ মুরগীর মাংস চর্বি বর্জিত এবং সহজে হজম হয়। কাজেই ব্রয়লার মুরগী পালন করলে বিক্রির বাজার যেমন নিশ্চিত তেমনি লোকসান খাবার কোন আশংকা থাকে না।
যত দিন যাচ্ছে ব্রয়লার মুরগীর মাংসের চাহিদা বেড়ে যাচ্ছে। তার প্রধান কারণ হ’ল ছাগল, ভেড়ার থেকে মুরগীর মাংসের দামটা যথেষ্ট কম। এছাড়াও রোগী সহ সব বয়সের মানুষের মুরগীর মাংস খেতে কোন বাধা নেই। ছাগল, ভেড়া ও খাসির মাংসে চর্বির পরিমাণ বেশি থাকায় হার্টের অসুখ ও বহুমূত্র রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের চর্বিযুক্ত মাংস খেতে চিকিৎসকরা নিষেধ করেন। সেই তুলনায় মুরগীর মাংস চর্বি বর্জিত। সহজে হজম হয়। কাজেই ব্রয়লার মুরগী পালন করলে বিক্রির বাজার যেমন নিশ্চিত তেমনি লোকসান খাবার কোন আশংকা থাকে না।
ব্রয়লার মুরগী পালন করার ক্ষেত্রে আরও একটা বিশেষ সুবিধে রয়েছে। কেবলমাত্র ডিমের জন্য বিদেশী অথবা উন্নত জাতের মুরগী পালন করা হলে তার মাধ্যমে আয় করতে খুব কম করেও খামারিকে সাত মাস অপেক্ষা করতে হয়। ঐ দীর্ঘ সময় পর্যন্ত যদি কোন রোগের আক্রমণ ঘটে তখন খামারির সবটাই লোকসান হয়। আবার ছয়-সাত মাস অপেক্ষা করে মুরগীদের খাইয়ে উপযুক্ত বয়স হলে তখন ওরা ডিম পাড়তে শুরু করে।
কিন্তু মাংসের জন্য বিজ্ঞানসম্মত পদ্ধতিতে ব্রয়লার মুরগী পালন করলে মাত্র ৫৫ থেকে ৬৫ দিনের মধ্যে সমস্ত টাকা একসঙ্গে লাভসহ ফিরে আসে। সারা বছরের মধ্যে পাঁচবার ব্রয়লার মুরগী পালন করে প্রতিবার একটা মোটা অঙ্কের টাকা আয় করা সম্ভব। যে ব্যবসাতে মূলধন যতবার বেশি খাটানো যাবে তার মাধ্যমে লাভটাও বেশি করে করা সম্ভব হয়। ব্রয়লার মুরগী পালন একমাত্র সেই কারণে একটি নিশ্চিত লাভজনক ব্যবসা বলা যায়।
তাই আপনি যদি সম্পূর্ণ আধুনিক পদ্ধতিতে ব্রয়লার মুরগী পালন করতে চান তাহলে সবার আগে প্রয়োজন সঠিক গাইডলাইন ৷ আর গাইডলাইনের জন্য এই বইটি পড়তে পারেন ৷ ইচ্ছা হলে সুভাষ চন্দ্র চট্টোপাধ্যায় এর লেখা ব্রয়লার মুরগী ও খরগোস পালন বইটিও পড়তে পারেন ৷
ব্রয়লার মুরগি পালন বই PDF (হার্ডকপিসহ) | কিভাবে আধুনিক পদ্ধতিতে ব্রয়লার মুরগি পালন করবেন জানুন
বইটির পিডিএফ অনেক পাঠক অনলাইনে খুঁজে থাকেন। সম্ভব হলে নিচ থেকে হার্ডকপি অর্ডার করতে পারেন। এতে লেখক ও প্রকাশকদের নতুন বই প্রকাশে উৎসাহ বাড়ে। আমি বলবো একবার হলেও বইটি পড়ুন। বেশি বেশি বই কিনুন, বই পড়ুন। বই মানুষের নিঃস্বার্থ বন্ধু এবং অজানাকে জানার সেরা মাধ্যম।
একটু অপেক্ষা করুন, পিডিএফ খোঁজা হচ্ছে...
একটু অপেক্ষা করুন, অর্ডার লিংক তৈরি হচ্ছে...

