তাফসীর কি মিথ্যা হতে পারে? বইটি লিখেছেন আব্দুর রাযযাক বিন ইউসুফ। প্রকাশ করেছে নিবরাস প্রকাশনী। ১৬০ পৃষ্ঠার এই বইয়ে কুরআনের তাফসীর, জাল-যঈফ হাদীছ এবং বানওয়াট কাহিনি নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। লেখক দেখিয়েছেন, তাফসীরের নামে কীভাবে ভুল বক্তব্য প্রচারিত হতে পারে এবং এ বিষয়ে সতর্ক থাকা কেন জরুরি। তাফসীর কি মিথ্যা হতে পারে PDF অনেক পাঠক খুঁজে থাকেন ৷
বইটিতে তাফসীর কি মিথ্যা হতে পারে? এই প্রশ্নের মাধ্যমে মূলতঃ মিথ্যা তাফসীর পেশ করা হয়েছে। এর দ্বারা লেখক জনগণকে মিথ্যা তাফসীর সম্পর্কে সচেতন করার চেষ্টা করেছেন। কেননা কুরআনের তাফসীর শুনা ও পড়ার নামে ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা মিথ্যা তাফসীর শুনে ও পড়ে, যার পর নেই বিভ্রান্ত হচ্ছে। ফলে ইসলামের আসল রূপ তাদের থেকে বিদায় নিচ্ছে। এহেন অবস্থা থেকে উত্তরণের লক্ষ্যেই আব্দুর রাজ্জাক বিন ইউসুফ বইটি লিখেছেন ৷
ওয়াজ-মাহফিলে আমরা কুরআনের তাফসীর শুনি। নবী-রাসূলদের ঘটনা শুনি। বিভিন্ন সূরার ফযিলত সম্পর্কেও জানতে পারি। কিন্তু এসব কথার সবই কি কুরআন ও ছহীহ হাদীছ দ্বারা প্রমাণিত? যেসব কাহিনি দীর্ঘদিন ধরে প্রচলিত, সেগুলোর পেছনে নির্ভরযোগ্য দলিল আছে কি না, তা কি আমরা যাচাই করি?
লেখক আব্দুর রাযযাক বিন ইউসুফের মতে, যাচাই-বাছাই ছাড়া ধর্মীয় বক্তব্য প্রচার করলে মানুষ সঠিক দ্বীন থেকে বিচ্যুত হতে পারে। বিশেষ করে জাল-যঈফ হাদীছ ও বানওয়াট কাহিনি দিয়ে কুরআনের তাফসীর করা হলে বিভ্রান্তির আশঙ্কা থাকে। এসব বিষয়ে মানুষকে সচেতন করতেই তিনি তাফসীর কি মিথ্যা হতে পারে? বইটি লিখেছেন।
বই বিবরণ
- বইঃ তাফসীর কি মিথ্যা হতে পারে?
- লেখকঃ আব্দুর রাযযাক বিন ইউসুফ ৷
- প্রকাশনীঃ নিবরাস প্রকাশনী ৷
- পৃষ্ঠা সংখ্যাঃ ১৬০টি ৷
- ক্যাটাগরিঃ কুরআন বিষয়ক আলোচনা বই, তাফসীর বিষয়ক বই ৷
বর্তমানে কোন কোন বক্তার বক্তৃতার অনেক অংশই কুরআন ও ছহীহ হাদীছের সাথে সাংঘর্ষিক। কারণ তারা তদন্ত ছাড়াই শরী’আতের বিভিন্ন বিষয় প্রচার করেন। লেখকের মতে, শতকরা ৯৫ জন বক্তা যাচাই-বাছাই ছাড়া বক্তৃতা করেন। এ ধরনের প্রচারে বড় ধরনের দু’টি ক্ষতি রয়েছে। (১) এতে আল্লাহ্ এবং আল্লাহ্র রাসূলের নামে মিথ্যা প্রচার হচ্ছে, যাতে জনগণ সঠিক ধর্ম থেকে বিচ্যুত হচ্ছে (২) এমন বক্তার পরকাল বড় ভয়াবহ।
নবী করীম (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, ‘কোন ব্যক্তি যদি আমার উপর মিথ্যারোপ করে, তার পরিণাম জাহান্নাম’ (বুখারী, মিশকাত হা/১৮৯)। এ দেশের তাফসীর মাহফিলে যারা তাফসীর করছেন, তাদের শতকরা ৯৮ জনই মুফাসসির নন। কারণ তাফসীর করার জন্য অনেক ধরনের বিদ্যার প্রয়োজন। সাথে সাথে তাহক্বীকু করে তাফসীর করা যরূরী। কারণ তাফসীর গ্রন্থগুলি জাল ও যঈফ হাদীছ এবং বানওয়াট কাহিনী দ্বারা পরিপূর্ণ। এ থেকে সকলের সতর্ক থাকা উচিৎ। কেননা এতে যেমন দ্বীনের ক্ষতি হয়, তেমনি বক্তা ও শ্রোতার পরকাল ধ্বংস হয়।
এর ফলে লেখকের ইচ্ছা, জনগনকে মিথ্যা তাফসীর সম্পর্কে সচেতন করার জন্য একটি বই লিখবেন। কিন্তু অত্যন্ত ব্যস্ততার দরুণ তা এতদিন সম্ভব হয়ে উঠেনি। অবশেষে মহান আল্লাহর ইচ্ছায় তাবলীগী ইজতেমা ২০০৯-কে সামনে রেখে বইটি প্রকাশিত হল- ফালিল্লাহিল হাম্দ।
আরও পড়ুনঃ
- জাল হাদীছের কবলে রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর ছালাত বই (মুযাফফর বিন মুহসিন)
- হাদীস মানতে বাধ্য বই (আব্দুল্লাহ বিন আব্দুর রাযযাক)
- হাদীসের নামে জালিয়াতি বই (ড. খোন্দকার আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর (রহ.)
তাফসীর কি মিথ্যা হতে পারে PDF | আব্দুর রাজ্জাক বিন ইউসুফ
বইটির পিডিএফ অনেক পাঠক অনলাইনে খুঁজে থাকেন। সম্ভব হলে নিচ থেকে হার্ডকপি অর্ডার করতে পারেন। এতে লেখক ও প্রকাশকদের নতুন বই প্রকাশে উৎসাহ বাড়ে। আমি বলবো একবার হলেও বইটি পড়ুন। বেশি বেশি বই কিনুন, বই পড়ুন। বই মানুষের নিঃস্বার্থ বন্ধু এবং অজানাকে জানার সেরা মাধ্যম।
একটু অপেক্ষা করুন, পিডিএফ খোঁজা হচ্ছে...
একটু অপেক্ষা করুন, অর্ডার লিংক তৈরি হচ্ছে...


