পিডিএফ পড়.কম

HSC ইসহাক স্যারের পদার্থ বই ১ম পত্র ও ২য় পত্র PDF (ডাউনলোড)

CategoriesHSC BOOK
Tagshsc
লেখার সাইজA
A
Rate this post

একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণির বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীদের জন্য পদার্থবিজ্ঞান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। বিশেষ করে যারা HSC পরীক্ষার্থী, তারা এখন থেকেই পদার্থবিজ্ঞানের পড়াশোনা কিছুটা এগিয়ে রাখতে পারলে পরবর্তীতে প্রস্তুতি নেওয়া অনেক সহজ হবে। তোমরা অনেকেই ইসহাক স্যারের পদার্থ বই ১ম পত্র ও ২য় পত্র PDF খুঁজে থাকো ৷ তোমাদের পড়ার সুবিধার্থে ইসহাক স্যারের পদার্থবিজ্ঞান ১ম পত্র বই ও পদার্থবিজ্ঞান ২য় পত্র বই পিডিএফ সংগ্রহ করে দেওয়া হয়েছে ৷ ইচ্ছা হলে বইটির হার্ডকপি অর্ডার করতে পারো নিচ থেকে ৷ HSC সকল বই ও গাইড পেতে আমাদের সাথেই থাকুন ধন্যবাদ ৷

এইচএসসি পদার্থবিজ্ঞানের বইয়ের কথা বললে শিক্ষার্থীদের মধ্যে সবচেয়ে পরিচিত নামগুলোর একটি হলো ইসহাক স্যারের পদার্থ বই। বাজারে বইটি সাধারণত আমির-ইসহাকের পদার্থবিজ্ঞান নামেও পরিচিত। প্রথম পত্র ও দ্বিতীয় পত্র—দুইটি বইয়ের লেখক হলেন ড. আমির হোসেন খান, প্রফেসর মোহাম্মদ ইসহাক এবং ড. মো. নজরুল ইসলাম।

সম্মানিত লেখকগণ

ড. আমির হোসেন খান
প্রাক্তন ভাইস-চ্যান্সেলর, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়, কুমিল্লা।
প্রাক্তন প্রফেসর, পদার্থবিজ্ঞান বিভাগ, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়, সাভার, ঢাকা।

প্রফেসর মোহাম্মদ ইসহাক
প্রাক্তন ভাইস প্রিন্সিপাল ও পদার্থবিজ্ঞানের অধ্যাপক, কারমাইকেল কলেজ, রংপুর।
প্রাক্তন অধ্যাপক, পদার্থবিজ্ঞান বিভাগ, পি. সি. কলেজ, বাগেরহাট।

ড. মো. নজরুল ইসলাম
প্রাক্তন প্রফেসর ও বিভাগীয় প্রধান, পদার্থবিজ্ঞান বিভাগ, ঢাকা কলেজ, ঢাকা।
প্রাক্তন বিভাগীয় প্রধান, পদার্থবিজ্ঞান বিভাগ, বেগম বদরুন্নেসা সরকারি মহিলা কলেজ, ঢাকা এবং ঢাকা কলেজ, ঢাকা।

ইসহাক স্যারের পদার্থ বই কেন এত জনপ্রিয়?

জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের নতুন পাঠ্যসূচি ২০১২ অনুযায়ী একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণির পদার্থবিজ্ঞান প্রথম পত্রের এই বইটি রচিত হয়েছে। দেশের প্রখ্যাত কয়েকজন পদার্থবিদের মূল্যায়নের ভিত্তিতে বইটি একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণির পাঠ্যপুস্তক হিসেবে NCTB কর্তৃক অনুমোদিত হয়।

মাধ্যমিক স্তরের পদার্থবিজ্ঞানের সঙ্গে ধারাবাহিকতা বজায় রেখে একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণির পাঠ্যসূচিতে অন্তর্ভুক্ত বিষয়গুলো সহজ-সরল ভাষায় উপস্থাপন করা হয়েছে। বিষয়গুলো যাতে শিক্ষার্থীদের কাছে জটিল মনে না হয়, সেদিকে বিশেষভাবে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি বিষয়বস্তু সহজে বোঝানোর জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যক চিত্রও সংযোজন করা হয়েছে।

প্রতিটি অধ্যায়ে আধুনিক মতবাদ, তত্ত্ব ও তথ্য যুক্ত করার চেষ্টা করা হয়েছে। এ জন্য দেশি-বিদেশি বিভিন্ন বইয়ের সাহায্য নেওয়া হয়েছে। বইটিতে সর্বত্র এস.আই. পদ্ধতির একক ব্যবহার করা হয়েছে এবং প্রচলিত ও বহুল ব্যবহৃত পরিভাষা ব্যবহারের চেষ্টা করা হয়েছে। বাংলার পাশাপাশি বিভিন্ন রাশির ইংরেজি প্রতিশব্দও দেওয়া হয়েছে, যাতে পরবর্তী উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীদের বিষয়বস্তু বুঝতে সুবিধা হয়।

বইটির অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো সৃজনশীল লেখনীর মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের উচ্চতর দক্ষতা বৃদ্ধি এবং যুগোপযোগী ও বাস্তবমুখী শিক্ষা সহজ-সরলভাবে উপস্থাপন করা। বিভিন্ন কলেজের শিক্ষক ও শুভানুধ্যায়ীদের মতামত ও পরামর্শ বিবেচনায় নিয়ে বইটিতে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন, পরিমার্জন ও সংশোধন করা হয়েছে।

পদার্থবিজ্ঞান ১ম পত্র বই সূচিপত্র

  • প্রথম অধ্যায়: ভৌত জগৎ ও পরিমাপ
  • দ্বিতীয় অধ্যায়: ভেক্টর
  • তৃতীয় অধ্যায়: গতিবিদ্যা
  • চতুর্থ অধ্যায়: নিউটনিয়ান বলবিদ্যা
  • পঞ্চম অধ্যায়: কাজ, শক্তি ও ক্ষমতা
  • ষষ্ঠ অধ্যায়: মহাকর্ষ ও অভিকর্ষ
  • সপ্তম অধ্যায়: পদার্থের গাঠনিক ধর্ম
  • অষ্টম অধ্যায়: পর্যাবৃত্ত গতি
  • নবম অধ্যায়: তরঙ্গ
  • দশম অধ্যায়: আদর্শ গ্যাস ও গ্যাসের গতিতত্ত্ব

পদার্থবিজ্ঞান ১ম পত্র বইয়ের প্রথম অধ্যায় ভৌত জগৎ ও পরিমাপ। এসএসসি পর্যায়েও তোমরা ভৌত রাশি ও পরিমাপ সম্পর্কে পড়েছ। এখানে পদার্থবিজ্ঞানের বিভিন্ন বিষয়, প্রয়োজনীয় ধ্রুবক ও বিভিন্ন বিজ্ঞানীর পরিচিতির পাশাপাশি স্ফেরোমিটার, স্লাইড ক্যালিপার্স ও স্ক্রু গজ সম্পর্কে ধারণা দেওয়া হয়েছে।

এরপর রয়েছে ভেক্টর। উচ্চতর গণিতেও হয়তো ভেক্টর সম্পর্কে পড়েছ। তবে এখানে বিষয়টি আরও বিস্তারিতভাবে আলোচনা করা হয়েছে। তুলনামূলকভাবে এটি সহজ একটি অধ্যায়।

এরপর গতিবিদ্যা। গতি এবং নিউটনের গতিসূত্রের সঙ্গে এই অধ্যায়ের সম্পর্ক রয়েছে। এরপর রয়েছে নিউটনীয় বলবিদ্যা, যা তুলনামূলকভাবে বড় ও কঠিন একটি অধ্যায়। এখানে জড়তার ভ্রামক, টর্ক, কৌণিক গতি, কৌণিক ভরবেগ, কৌণিক বেগ, চক্রগতির ব্যাসার্ধ এবং কেন্দ্রমুখী বলসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় আলোচনা করা হয়েছে।

কাজ, শক্তি ও ক্ষমতা অধ্যায়টি শিক্ষার্থীদের কাছে অনেকটাই পরিচিত। এরপর রয়েছে মহাকর্ষ ও অভিকর্ষ। এই অধ্যায়ে অভিকর্ষজ ত্বরণের মান, কৃত্রিম উপগ্রহ, মুক্তিবেগ, অভিকর্ষ কেন্দ্র, আহ্নিক গতি ও বার্ষিক গতি সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।

পদার্থের গাঠনিক ধর্ম অধ্যায়ে স্থিতিস্থাপকতা, ইয়ং মডুলাস ও হুকের সূত্রের মতো বিষয় রয়েছে। এরপর পর্যাবৃত্ত গতি অধ্যায়ে সরল ছন্দিত স্পন্দন, স্প্রিংয়ের ধ্রুবক এবং বিভিন্ন ধরনের পর্যাবৃত্ত গতি সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। এই অধ্যায়ে সমীকরণ ও ক্যালকুলাসের ব্যবহারও রয়েছে।

এরপর রয়েছে তরঙ্গ অধ্যায়। এখানে শব্দ তরঙ্গ, হারমোনিকস, স্বরগ্রাম ও শ্রাব্যতার সীমাসহ বিভিন্ন বিষয় সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।

সবশেষে প্রথম পত্রে রয়েছে আদর্শ গ্যাস ও গ্যাসের গতিতত্ত্ব। এই অধ্যায়ে রসায়নের সঙ্গে কিছুটা মিল পাওয়া যায়। PV=nRT সমীকরণ, গ্যাসের সূত্র, বয়েলের সূত্র, চার্লসের সূত্র, শিশিরাঙ্ক, আর্দ্রতা ও জলীয় বাষ্পসহ বিভিন্ন বিষয় এখানে পড়ানো হয়েছে।

পদার্থবিজ্ঞান ২য় পত্র বই সূচিপত্র

  • প্রথম অধ্যায়: তাপগতিবিদ্যা
  • দ্বিতীয় অধ্যায়: স্থির তড়িৎ
  • তৃতীয় অধ্যায়: চল তড়িৎ
  • চতুর্থ অধ্যায়: তড়িৎ প্রবাহের চৌম্বক ক্রিয়া ও চুম্বকত্ব
  • পঞ্চম অধ্যায়: তড়িৎচৌম্বকীয় আবেশ ও পরিবর্তী প্রবাহ
  • ষষ্ঠ অধ্যায়: জ্যামিতিক আলোকবিজ্ঞান
  • সপ্তম অধ্যায়: ভৌত আলোকবিজ্ঞান
  • অষ্টম অধ্যায়: আধুনিক পদার্থবিজ্ঞানের সূচনা
  • নবম অধ্যায়: পরমাণু মডেল ও নিউক্লিয়ার পদার্থবিজ্ঞান
  • দশম অধ্যায়: সেমিকন্ডাক্টর ও ইলেক্ট্রনিক্স
  • একাদশ অধ্যায়: জ্যোতির্বিজ্ঞান

পদার্থবিজ্ঞান ২য় পত্র বইয়ের শুরুতেই রয়েছে তাপগতিবিদ্যা। এটি তুলনামূলকভাবে বড় একটি অধ্যায়। এখানে তাপমাত্রা পরিমাপের নীতি, সেলসিয়াস, ফারেনহাইট ও কেলভিন স্কেল, অভ্যন্তরীণ শক্তি, তাপগতিবিদ্যার প্রথম ও দ্বিতীয় সূত্র, তাপ ইঞ্জিন, রেফ্রিজারেটর, ইঞ্জিনের দক্ষতা, কার্নো ইঞ্জিন ও এন্ট্রপি সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে।

এরপর রয়েছে স্থির তড়িৎ। এখানে কুলম্বের সূত্র, তড়িৎ দ্বিমেরু বা ডাইপোল, ধারক, ধারকত্ব এবং গাউসের সূত্রের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় রয়েছে।

চল তড়িৎ অধ্যায়ে জুলের সূত্র, কার্শফের সূত্র, পটেনশিওমিটার, মিটার ব্রিজ, পোস্ট অফিস বক্স এবং হুইটস্টোন ব্রিজ সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। এই অধ্যায়ে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যবহারিক বিষয়ও রয়েছে।

এরপর রয়েছে তড়িৎ প্রবাহের চৌম্বক ক্রিয়া ও চুম্বকত্ব। এখানে ওয়ারস্টেডের চৌম্বক ক্ষেত্রের ধারণা, বায়ট-সাভার্টের সূত্র, অ্যাম্পিয়ারের সূত্র এবং চুম্বকত্বের বিভিন্ন প্রকার—প্যারা, ডায়া, ফেরো, অ্যান্টিফেরো ইত্যাদি সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। পাশাপাশি চৌম্বকের ডোমেইন তত্ত্ব, স্থায়ী চৌম্বক ও অস্থায়ী চৌম্বক সম্পর্কেও ধারণা দেওয়া হয়েছে।

তড়িৎচৌম্বকীয় আবেশ ও পরিবর্তী প্রবাহ অধ্যায়ে লেঞ্জের সূত্র, দিক পরিবর্তী প্রবাহ, স্বকীয় আবেশ ও পারস্পরিক আবেশসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় রয়েছে।

এরপর জ্যামিতিক আলোকবিজ্ঞান অধ্যায়ে আলো, লেন্স, উত্তল লেন্স, অবতল লেন্স, আলোর প্রতিফলন ও প্রতিসরণসহ বিভিন্ন বিষয় আলোচনা করা হয়েছে।

ভৌত আলোকবিজ্ঞান অধ্যায়ে তড়িৎচৌম্বকীয় তরঙ্গ, তরঙ্গমুখ, হাইগেন্সের নীতি, আলোর ব্যতিচার, অপবর্তন, সমবর্তন এবং ইয়ংয়ের দ্বি-চির পরীক্ষা সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে।

এরপর রয়েছে আধুনিক পদার্থবিজ্ঞানের সূচনা। এখানে আইনস্টাইনের আপেক্ষিকতা তত্ত্বের সঙ্গে সম্পর্কিত বিষয়, E=mc², ভরের আপেক্ষিকতা, দৈর্ঘ্যের আপেক্ষিকতা এবং সময়ের আপেক্ষিকতা সম্পর্কে জানা যাবে।

পরমাণু মডেল ও নিউক্লিয়ার পদার্থবিজ্ঞান অধ্যায়ে রাদারফোর্ড ও বোরের পরমাণু মডেল, শৃঙ্খল বিক্রিয়া, ফিশন ও ফিউশনসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় রয়েছে।

এরপর সেমিকন্ডাক্টর ও ইলেক্ট্রনিক্স অধ্যায়। এখানে পরিবাহী, অর্ধপরিবাহী ও অপরিবাহী সম্পর্কে ধারণার পাশাপাশি ডায়োড, ট্রানজিস্টর এবং বিভিন্ন লজিক গেট—নট গেট, অর গেট, অ্যান্ড গেট, নর গেট ইত্যাদি সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।

সবশেষে রয়েছে জ্যোতির্বিজ্ঞান। এই অধ্যায়ে মহাবিশ্ব সৃষ্টির রহস্য, বিগ ব্যাং থিওরি, মহাবিশ্বের মূল বস্তু ও ঘটনা, রেডিও টেলিস্কোপ, অপটিক্যাল টেলিস্কোপ, গামা রশ্মি, এক্স-রে এবং কৃত্রিম উপগ্রহসহ বিভিন্ন বিষয় সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।

HSC ইসহাক স্যারের পদার্থ বই ১ম পত্র ও ২য় পত্র PDF ডাউনলোড

বইটির পিডিএফ অনেক পাঠক অনলাইনে খুঁজে থাকেন। সম্ভব হলে নিচ থেকে হার্ডকপি অর্ডার করতে পারেন। এতে লেখক ও প্রকাশকদের নতুন বই প্রকাশে উৎসাহ বাড়ে। আমি বলবো একবার হলেও বইটি পড়ুন। বেশি বেশি বই কিনুন, বই পড়ুন। বই মানুষের নিঃস্বার্থ বন্ধু এবং অজানাকে জানার সেরা মাধ্যম।

15

একটু অপেক্ষা করুন, পিডিএফ খোঁজা হচ্ছে...

একটু অপেক্ষা করুন, অর্ডার লিংক তৈরি হচ্ছে...

BoiLover

Boi𝗟𝗼𝘃𝗲𝗿~বইলাভার

Join Telegram
সাম্প্রতিক বই ইসলামিক বই উপন্যাস বই বইমেলা ২০২৬ সকল ক্যাটাগরি সম্মানিত লেখকগণ আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ