ইসলামের সব ইবাদতের মধ্যে সালাত (নামায) এমন একটি মহান ইবাদত, যার সঙ্গে একজন মানুষের ঈমান ও মুসলিম পরিচয় পাওয়া যায়। রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর বহু হাদীসে নামাযকে ঈমানের অন্যতম প্রধান নিদর্শন হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। তাই শুধু মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করলেই হবেনা; বরং নিয়মিত সালাত আদায়ের মাধ্যমেই একজন বান্দা আল্লাহর আনুগত্যের প্রকাশ পায়। অনেক পাঠক রাসুল সাঃ এর নামাজ জাকির নায়েক এর বই PDF খুঁজে থাকেন ৷ আশা করি উপকৃত হবেন ৷ সলাত/নামাজ বিষয়ক বই পেতে চোখ রাখুন পিডিএফপড়.কম ৷
হাদীসে বেনামাযীদের জন্য কঠোর সতর্কবার্তা এসেছে এবং ইচ্ছাকৃতভাবে নামায পরিত্যাগ করার ভয়াবহ পরিণতির কথাও বর্ণিত হয়েছে। একই সঙ্গে এমন অনেক মানুষের কথাও বলা হয়েছে, যারা নামায আদায় করলেও তা রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর শেখানো পদ্ধতি অনুযায়ী না হওয়ায় সেই সালাত পূর্ণাঙ্গ হয় না এবং এর সওয়াবও কমে যায়।
এ কারণেই রাসূলুল্লাহ (সা.) নির্দেশ দিয়েছেন, “তোমরা এমনভাবে সালাত আদায় কর, যেমন আমাকে সালাত আদায় করতে দেখেছ।” ইতিহাসে বর্ণিত আছে, ইমাম আহমাদ ইবনে হাম্বল (রহ.) বহু মসজিদে সালাত আদায় করে লক্ষ্য করেছিলেন যে, অনেক মানুষ নবীজীর সুন্নাহ অনুযায়ী নামায আদায় করছেন না।
এমনকি রাসূলুল্লাহ (সা.) কিছু সাহাবিকে তাদের নামায পুনরায় আদায় করার নির্দেশও দিয়েছিলেন, কারণ তাদের সালাত সঠিকভাবে সম্পন্ন হয়নি। তাই প্রত্যেক মুসলমানের উচিত সহীহ হাদীসের আলোকে রাসূল (সা.)-এর সালাতের পদ্ধতি জানা এবং সে অনুযায়ী আমল করা। ইমাম আবু হানীফা (রহ.)-ও বলেছেন, কোনো সহীহ হাদীসের ভিত্তিতে আমল করা হলে সেটিও তাঁর মাযহাবেরই অনুসরণ হিসেবে গণ্য হবে। ফলে সুন্নাহভিত্তিক বিশুদ্ধ সালাত শিক্ষা ও অনুশীলনই একজন মুমিনের জন্য সর্বোত্তম পথ। যারা রাসুল সাঃ এর নামাজ জাকির নায়েক এর বই PDF চান আপনারা নিচ থেকে হার্ডকপিসহ অর্ডার দিতে পারবেন ৷
রাসুল সাঃ এর নামাজ জাকির নায়েক বই বিবরণ
- বইয়ের নামঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ)-এর নামায ৷
- লেখকঃ ডা. জাকির নায়েক ৷
- প্রকাশনীঃ প্রত্যাশা প্রকাশন ৷
- পেইজ সংখ্যাঃ ৮০টি ৷
- ক্যাটাগরিঃ নামাজ/সলাত বিষয়ক বই ৷
📑 সূচিপত্র
মন নিয়ন্ত্রন রাখার উপায়
আমাদের মন ঘুরে বেড়ায় কেন? এর কারণ হলো আমাদের মন আসলে খালি। আর এই মন খালি থাকতে পারে না। সে জন্যে মন ঘুরে বেড়ায়। বেশিরভাগ মুসলিম সালাত আদায়ের সময় যেগুলো আমরা বলি সেগুলো জানেন। সূরা ফাতিহা পবিত্র কুরআনের আরো কিছু আয়াত পবিত্র কুরআনের কয়েকটা ছোট ছোট সূরা এগুলো আমরা সালাতের সময় বলি।
মুসলিমরা আমরা এগুলো এতো যান্ত্রিকভাবে পড়ি যে, আপনি যদি কোন মুসলিমকে ঘুম থেকে ডেকে তোলেন আর তাকে সূরা ফাতিহা বলতে বলেন, সে এই কাজটা একশ মাইল স্পীডে করতে পারবে। বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম। আলহামদুলিল্লাহি রাব্বিল আলামিন। আর রাহমানির রাহিম। মালিকি ইয়াওমিদ্দিন ইয়্যা কানাবুদু ওয়াইয়্যাকা নাসতায়িন ইহদিনাস সিরাতাল মুসতাকিম। সিরাতাল্লাজিনা আন আমতা আলাইহিম। গাইরিল মাগদুবি আলাইহিম ওয়ালাদ দোয়াল্লিন আমিন। একেবারেই যান্ত্রিক। যেতেতু এটা যান্ত্রিক।
আমাদের মনের খুব সামান্য একটা অংশ এখানে ব্যস্ত থাকে। এই যান্ত্রিক অংশগুলো বলার সময় আমরা সেগুলো ভালোভাবেই জানি। যেমন সূরা ফাতিহা আর অন্যান্য আয়াত। বেশিরভাগ মুসলিম আমরা অনারব। আমরা আরবী ভাষায় কথাবার্তা বুঝতে পারি না। আর যেহেতু আমরা সালাতের সময় যেটা পড়ছি, সেটা বুঝতে পারছি না। তখনই এই সম্ভাবনা দেখা দেয় যে আমাদের মন চিন্তা করবে। সেজন্য মন যাতে এসব চিন্তা না করতে পারে। আমরা সালাতের সময় আরবীটা পড়ব আর একই সাথে আমরা এই আরবী আয়াতগুলোর অর্থ বুঝতে চেষ্টা করব। যদি ইংরেজি জানেন, ইংরেজি অনুবাদটা মনে করেন।
যদি উর্দু জানেন, উর্দু অনুবাদটা মনে করেন। যদি হিন্দি জানেন, হিন্দি অনুবাদটা মনে করেন। যদি মারাঠি ভাষা জানেন, সেটা মনে করেন। গুজরাটি জানলে সেটা মনে করেন। আপনি সেই ভাষায় অনুবাদটা মনে রাখেন যেই ভাষাটা আপনি সবচেয়ে ভালো বোঝেন। যেমন ধরেন আমরা যখন সূরা ফাতিহা পড়ি বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম দয়াময় ও পরম দয়ালু আল্লাহর নামে গুরু করছি। আলহামদুলিল্লাহি রাব্বিল আলামিন। সকল প্রশংসা জগৎসমূহের মালিক আল্লার। আর রাহমানির রাহিম। যিনি দয়াময় এবং পরম দয়ালু। মালিকি ইয়াওমিদ্দিন। তিনি কর্মফল দিবসের মালিক। ইয়্যা কানাবুদু ওয়াইয়্যাকা নাসতায়িন। আমরা শুধু তোমার ইবাদত করি। শুধু তোমার সাহায্য চাই। ইহদিনাস সিরাতাল মুসতাকিম। আমাদের সরল পথ দেখাও। সিরাতাল্লাজিনা আন আমতা আলাইহিম গাইরিল মাগদুবি আলাইহিম ওয়ালাদ্দোয়াল্লিন। তাদের পথ যাদেরকে তুমি অনুগ্রহ দান করেছো এবং তাদের পথ নয় যারা ক্রোধ নিপতিত আর তারা যারা পথভ্রষ্ট।
যখন এই সূরা ফাতিহা পড়বেন অথবা আরবীতে অন্য আয়াত পড়বেন একই সাথে অর্থটাও মনে করুন। আর আপনার মন তখন ঘুরে বেড়াবে না। কারণ এতে করে আপনি সালাতের সময় যে আরবী পড়ছেন সেটার অর্থ মনে রাখতেই মন ব্যস্ত থাকছে। কিন্তু কয়েকদিন পরে বা কয়েক মাস পরে এটাও একেবারে যান্ত্রিক হয়ে যাবে। আমাদের মন খুব শক্তিশালী। আপনি আরবীটা পড়বেন আর অর্থটাও মনে করবেন কারণ আমাদের মন খুবই শক্তিশালী। এখানেও সম্ভাবনা থাকে যে মন অন্য চিন্তা করবে। কিন্তু এই সম্ভাবনাটা কম। কারণ মনের খুব ছোট আশা আরবী পড়ায় ব্যস্ত থাকবে। আর আপনার মনের যে বাকী অংশটা তখন অর্থ মনে করবে। অন্য চিন্তা করার সম্ভাবনা কম। তারপরও মন চিন্তা করতে পারে। মনের এই চিন্তা দূর করার জন্য আপনি আরবীতে আয়াতগুলো পড়বেন আর সেগুলোর অর্থ মনে করবেন। এছাড়াও আপনি মনোযোগ দেবেন যে আয়াতগুলো পড়ছেন তার অর্থ ।
মনে করছেন। একজন মানুষ দুইটা জিনিসের উপরে ১০০ পার্সেন্ট মনোযোগ দিতে পারে না। দুইটা জিনিসের উপর ৫০ পার্সেন্ট মনোযোগ দেয়া যায়। বা ৮০ পার্সেন্ট, ২০ পার্সেন্ট। কিন্তু ১০০ পার্সেন্ট দুইটা আলাদা জিনিসের উপরে কেউ মনোযোগ দিতে পারবে না। তাহলে যত বেশি মনোযোগ দেবেন আপনার মন ততখানি কম ঘোরাঘুরি করবে। মনের এই ঘোরাঘুরি বন্ধ করতে আমরা আরবী আয়াতগুলো পড়ব। আয়াতের অর্থ বুঝব আর সেই অর্থের উপরে মনোযোগ দেব। তাহলে ইনশাল্লাহ আমাদের মন ঘোরাঘুরি করবে না। নিচ থেকে হার্ডকপি অর্ডার করুণ এবং রাসুল সাঃ এর নামাজ জাকির নায়েক এর বই PDF ডাউনলোড করুণ ৷
রাসুল সাঃ এর নামাজ জাকির নায়েক এর বই PDF (হার্ডকপিসহ)
বইটির পিডিএফ অনেক পাঠক অনলাইনে খুঁজে থাকেন। সম্ভব হলে নিচ থেকে হার্ডকপি অর্ডার করতে পারেন। এতে লেখক ও প্রকাশকদের নতুন বই প্রকাশে উৎসাহ বাড়ে। আমি বলবো একবার হলেও বইটি পড়ুন। বেশি বেশি বই কিনুন, বই পড়ুন। বই মানুষের নিঃস্বার্থ বন্ধু এবং অজানাকে জানার সেরা মাধ্যম।
একটু অপেক্ষা করুন, পিডিএফ খোঁজা হচ্ছে...
একটু অপেক্ষা করুন, অর্ডার লিংক তৈরি হচ্ছে...

