all islamic books in bangla free download pdf from Pdfporo.
প্রিয় পাঠক বৃৃৃন্দ, আজকে যাবতীয় ইসলামিক বই সমাহার সমাহার নিয়ে হাজির হয়েছি ৷ ইসলামিক সকল গুরুত্বপূর্ণ বই সমূহ এখান থেকে 1 ক্লিকে ডাউনলোড করে নিন ৷ আরো ইসলামী যেকোন বই এর প্রয়োজন হলে আমাদের নক করবেন, আমরা চেষ্টা করব আপনাদের বইয়ের পিডিএফ লিংক গুলো দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ ৷
আল-কুরআন বিষয়ক বই
মহান আল্লাহ পাক বিশ্ব মানবতার মুক্তি এবং দুনিয়া ও আখেরাতের কল্যাণে যুগে যুগে অসংখ্য নবী ও রাসূল পাঠিয়েছেন, আল্লাহ রাসূলের মাধ্যমে ১০০ খানা ছোট ও চারখানা বড় আসমানী কিতাব নাযিল করেছেন। বড় চারখানা কিতাব হচ্ছে তাওরাত, যাবুর, ইঞ্জিল ও কুরআন মাজিদ। এই চারখানা আসমানী কিতাবের মধ্যে আল-কোরআনই সর্বশেষ ও আসমানী কিতাব যা আমাদের মহানবী মুহম্মদ (সা:)-এর উপর নাযিল করেছেন। আল-কোরআন আসমানী কিতাবসমূহের মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ কিতাব। ইহা কিয়ামত পর্যন্ত মানব জাতির জন্য একমাত্র হিদায়েত, পথ প্রদর্শক গ্রন্থ এবং কল্যাণ ও নাযাতের একমাত্র অছিলা ।
পবিত্র কুরআন শরীফ মুসলমানদের ধর্ম গ্রন্থ। খোদাভীরুদের পথ প্ৰদৰ্শক এবং মানব জাতীর জন্য শ্রেষ্ঠতম পথ নির্দেশক। সমস্ত মানুষের ইহকালের উন্নতি ও পরকালের মুক্তি এই কুরআনের বিধি-বিধানের বাস্তবায়নের উপরই নির্ভরশীল ।
একজন মুসলমানের জীবনে কুরআনের শিক্ষা বাস্তবায়ন করতে হলে নিচের কুরআন বিষয়ক এই বইগুলো পড়া অপরিহার্য। তাই যারা সত্যিকার অর্থে আল্লাহর বাণী চান, তাদের জন্য এই বইগুলো একবার হলেও পড়া উচিৎ।
পড়ুনঃ
- 10+ বাংলা অনুবাদ ও তাফসীরসহ আল কুরআন পিডিএফ ৷
- কুরআন এবং বাংলা তাফসির ৷
- এক নজরে কুরআন -মিজানুর রহমান আজহারী ৷
- আল কুরআন এক মহাবিস্ময়-ড. মরিস বুকাইলি ৷
- মারেফুল কুরআন বই ৷
- তাফহীমুল কুরআন সকল খন্ড ৷
- আল কুরআনের কাব্যানুবাদ-মুহিব খান (অনুবাদক) ৷
- এসো কোরআন শিখি-মাওলানা আবু তাহের মেছবাহ ৷
- কুরআন থেকে নেওয়া জীবনের পাঠ-আরিফ আজাদ ৷
- আল-কুরআনে নারী-মোহাম্মদ নাছের উদ্দিন (সম্পাদক) ৷
- বাইবেল, কুরআন ও বিজ্ঞান বই ৷
- আল কুরআনের বিষয়ভিত্তিক আয়াত ৷
হাদীস ও সুন্নাহ বিষয়বই বই
পড়ুনঃ
- সহিহ বুখারী (Sahih al-Bukhari)- ইমাম মুহাম্মদ ইবনে ইসমাইল আল-বুখারী (রহ.) ৷
- বুখারী শরীফের ব্যাখ্যা গ্রন্থ ৷
- শামায়েলে তিরমিজি-ইমাম আবু ঈসা মুহাম্মদ ইবনে ঈসা আত তিরমিযী (রহঃ) ৷
- হাদীসের নামে জালিয়াতি-ড. খোন্দকার আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর ৷
- হাদিস সংকলনের ইতিহাস বই ৷
- এহ্ইয়াউস সুনান-ড. খোন্দকার আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর ৷
- রিয়াদুস সালিহীন-ইমাম মুহিউদ্দীন ইয়াহইয়া আন-নববী (রহ.) ৷
- ২৪ ঘন্টা ব্যবহারিক জীবনে আমলযোগ্য রাসূলুল্লাহ স এর ১০০০ সুন্নাত বই ৷
নবী ও সাহাবীদের জীবনী বিষয়ক বই
পড়ুনঃ
- মহানবী হযরত মুহাম্মদ সাঃ এর জীবনী পিডিএফ ৷
- আর রাহিকুল মাখতুম-আল্লামা সফিউর রহমান মুবারকপুরী (রহ.) ৷
- সীরাতে ইবনে হিশাম-আবূ মুহাম্মদ আবদুল মালিক ইব্ন হিশাম মুআফিরী (র) ৷
- নবি জীবনের গল্প-আরিফ আজাদ ৷
- বি স্মার্ট উইথ মুহাম্মাদ (সাঃ)-হিশাম আল আওয়াদি ৷
- দ্য প্রফেট-লেসলি হ্যাজেলটন ৷
- যে ফুলের খুশবুতে সারা জাহান মাতোয়ারা-মাওলানা আশরাফ আলী থানভী ৷
- এক নজরে রাসূল সাঃ কে জানুন বই ৷
মানব জাতির ইতিহাসে যুগে যুগে এমন সব ক্ষণজন্মা ব্যক্তিত্বের আবির্ভাব ঘটেছে যারা অকাতরে নিজেদেরকে নিজ নিজ জনগণের সামাজিক ও ধর্মীয় সংস্কারে আত্মনিয়োগ করেছেন । আমরা তাঁদের দেখতে পাই প্রতিটি যুগে সব জনপদে । উদাহরণ হিসেবে ভারতের গৌতম বুদ্ধ , চীনের কনফুসিয়াস , ইরানের জরদস্তর নাম বলা যেতে পারে । তবে মানব ইতিহাসের সর্বাধিক খ্যাতিমান সংস্কারকগণের আবির্ভাব ঘটে ব্যাবিলন অঞ্চলে । তাঁদের মধ্যে হযরত ইবরাহীম ( আ ) অন্যতম । অন্যান্যদের মধ্যে রয়েছেন হযরত ইউনুস ( আ ) , হযরত ইউসুফ ( আ ) , নূহ ( আ ) । এরা সবাই ছিলেন আল্লাহর নবী ও রাসূল তবে বর্তমানে তাঁদের জীবন ও কর্ম সম্পর্কে খুব কমই জানা যায় ।
অনুরূপভাবে বনী ইসরাঈলে আবির্ভাব ঘটেছে বহু সংখ্যক নবী – রাসূল বা সংস্কারকের । এঁদের মধ্যে রয়েছেন হযরত মূসা ( আ ) , হযরত দাউদ ( আ ) , হযরত সুলাইমান ( আ ) , হযরত ঈসা ( আ ) প্রমুখ । বনী ইসরাঈলের জন্য এঁরা যথার্থভাবেই গৌরবের ছিলেন । এ প্রসঙ্গে দুটি বিষয় বিশেষভাবে প্রণিধানযোগ্য ঃ প্রথমত , এ সংস্কারকগণের প্রত্যেকেই সাধারণভাবে নিজেদেরকে আসমানী প্রেরণার বাহক দাবি করেছেন । তাঁরা স্বজাতির জন্য এক একটি পবিত্র গ্রন্থ বা আসমানী কিতাব রেখে গেছেন । সুন্দর সুখী জীবন পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় নির্দেশনা রয়েছে এ সমস্ত গ্রন্থে । দ্বিতীয়ত , ধর্মপুরুষের তিরোধানের পরপরই সে অঞ্চলের জনগণ আত্মঘাতি সংঘর্ষে লিপ্ত হয়েছে । কখনো বা সংঘটিত হয়েছে নির্মম গণহত্যা ও ধ্বংসকাণ্ড ।
ফলে সে সমস্ত বাণী কম – বেশি একেবারেই বিনষ্ট হয়ে গেছে । উদাহরণ হিসেবে হযরত ইবরাহীম ( আ ) প্রচারিত আসমানী কিতাবের উল্লেখ করা যেতে পারে । সে কিতাবের নাম জানা গেলেও তার বিষয়বস্তু সম্পর্কে এখন আর কিছু জানা যায় না । অনুরূপভাবে মূসা ( আ ) -এর উপর নাযিলকৃত কিতাবকে যে বার বার কেমন করে বিনষ্ট করা হয় ইতিহাস তার সাক্ষ্য প্রদান করে । এ সমস্ত কিতাবের মূল পাঠ বহু পূর্বেই খোয়া গেছে । বর্তমানে যেটুকু মওজুদ রয়েছে তা ছিলো মূল কিতাবের অংশ বিশেষ মাত্র ।
আল্লাহ সম্পর্কে ধারণা কেউ যদি অতীতের পুরা নিদর্শনাদি বিচার – বিশ্লেষণ করে তাহলে তা থেকে তার সামনে এক মহা অদৃশ্য শক্তির ধারণা সমুজ্জল হয়ে উঠবে । মানুষ আদিকাল থেকে এক পরম সত্তা সম্পর্কে সচেতন । সে পরম সত্তা সমগ্র বিশ্বজগতের মালিক এবং খালিক , প্রভু ও সৃষ্টিকর্তা । সর্বকালের মানুষই মহান আল্লাহ বা স্রষ্টার প্রতি আনুগত্য প্রদর্শন করেছে । অবশ্য পার্থক্য রয়েছে তাদের আনুগত্য প্রকাশের পদ্ধতি ও প্রকৃতিতে ।
আদিকাল থেকে মানুষ এ বিশ্বাসও পোষণ করেছে যে , সর্বশক্তিমান আল্লাহকে দেখা যায় না । কিন্তু তিনি সদা সর্বত্র বিরাজমান । তাঁর সাথে মানুষের সংযোগ স্থাপন করাও সম্ভব । অবশ্য যারতার পক্ষে এটা সম্ভব নয় । মানুষের মধ্যে যারা মহান ও আধ্যাত্মিক সাধনায় বলীয়ান কেবল মাত্র তাদের পক্ষে এটা সম্ভব । এ ধরনের লোকের সংখ্যাও কম । মানুষকে সঠিক পথ দেখানোই তাঁদের মূল উদ্দেশ্য ।
প্রধানত আসমানী প্রত্যাদেশ লাভের মাধ্যমে মহান স্রষ্টার সাথে এ সংযোগ স্থাপিত হয় । কখনো আবার আধ্যাত্মিক সাধনা বলে উন্নতির একটি স্তরে উপনীত হওয়ার মাধ্যমে এ সংযোগ স্থাপন করা যায় । তবে একথা সত্য যে , মত ও পথ যাই হোক না কেন , সকল জীবনাদর্শ ও পথনির্দেশনা সমপর্যায়ের নয় । সূক্ষ্ম বিচার – বিশ্লেষণ ও পর্যালোচনায় কোনো কোনো জীবনাদর্শকে অন্যান্য জীবন ব্যবস্থা অপেক্ষা অধিকতর গুরুত্বপূর্ণ ও সফলকাম বলে প্রতীয়মান হবে ।
প্রতিটি দার্শনিক মতবাদ তথা ধর্মবিশ্বাসের নিজস্ব কতকগুলো পরিভাষা রয়েছে । পরিভাষা হিসেবে শব্দগুলো কালক্রমে এমন তাৎপর্যপূর্ণ ও অর্থবহ হয়ে ওঠে যে , মূল শব্দের আক্ষরিক অর্থ থেকে তা বুঝা যায় না অথবা এ সমস্ত পরিভাষার অনুবাদও সম্ভব নয় । তবু একথা সত্য যে , কোনো ধর্ম বা মতাবলম্বীদেরকে অন্য ধর্ম সম্পর্কে ধারণা দেয়ার জন্য এ পরিভাষা অধ্যয়ন ছাড়া অন্য কোনো পথ নেই । পঞ্চম শতাব্দীর শেষের দিকে হযরত ঈসা ( আ ) এর জন্মের পর থেকে মানুষ বিভিন্ন অংগনে ব্যাপক অগ্রগতি সাধন করেছে ।
তৎকালীন সমাজেও এমন কতকগুলো ধর্ম ছিলো যেগুলোকে কেবলমাত্র বিশেষ কোনো জনগোষ্ঠী বা গোত্রের জন্য নির্ধারিত ছিলো । এ সমস্ত ধর্ম মতবাদের মধ্যে বৃহত্তর জনগোষ্ঠীর সমস্যা সমাধানের কোনো ব্যবস্থাও ছিলো না । অবশ্য কিছু কিছু ধর্মকে সার্বজনীন বলে দাবি করা হতো । কিন্তু তাদের মূল কথা এই ছিলো যে , দুনিয়ার প্রতি মানুষের অনাসক্তি প্রদর্শন ও সকল প্রকার বন্ধন ছিন্ন করার মধ্যে রয়েছে মানুষের মুক্তি বা শান্তি । কিছু কিছু ছিলো কেবলমাত্র অভিজাত শ্রেণীর জন্য । এ সমস্ত ধর্মের অনুসারীর সংখ্যা ছিলো খুবই সামান্য ।
বলাবাহুল্য যে , কোনো কোনো অঞ্চলে আদৌ কোনো ধর্ম ছিলো না , কোথাও নাস্তিক্যবাদ ও বস্তুবাদের প্রাধান্য ছিলো , কোথাও অন্যদের প্রতি সম্মান প্রদর্শন না করে অথবা অন্যের অধিকার উপেক্ষা করে নিজের চিন্তা সম্পূর্ণভাবে অন্যের উপর চাপিয়ে দিয়ে নিজের স্বার্থ চরিতার্থ করার নীতি চালু ছিলো — তা আমাদের আলোচ্য বিষয় নয় ।

ইসলামিক বই PDF (All Category) | Islamic Bangla Books
Please Wait...
FAQ
1. ইসলামিক জনপ্রিয় বই কি কি?
1.প্যারাডক্সিক্যাল সাজিদ,
2.বেলা ফুরাবার আগে,
3.ম্যাসেজ,
4.জীবন যেখানে যেমন,
5.রাসূলুল্লাহ (সা.) এর সকাল সন্ধ্যার দু’আ ও যিকর এবং দোয়ার কার্ড,
6.বি স্মার্ট উইথ মুহাম্মাদ (সাঃ),
7.রাহে বেলায়াত,
8.প্রোডাক্টিভ মুসলিম,
9.আল কুরআন এক মহাবিস্ময়,
10.ফেরা
2. সালাত/নামায বই কি কি?
1. রাসুলুল্লাহ (স) এর নামায-আল্লামা মুহাম্মদ নাসীরুদ্দীন আলবানী (রহঃ)
2.মুনাজাত ও নামায-ড. খোন্দকার আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর
3.সালাত, দু’আ ও যিকর
এবং সালাতের মধ্যে হাত বাঁধার বিধান : একটি হাদীসতাত্ত্বিক পর্যালোচনা
-ড. খোন্দকার আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর
4.ছালাতুর রাসূল (ছাঃ)-মুহাম্মদ আসাদুল্লাহ আল-গালিব
5.জাল হাদীছের কবলে রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর ছালাত-মুযাফফর বিন মুহসিন
3. How to download pdf file?
এই পোস্টের ইসলামিক সকল বিষয়ের বইগুলোর পিডিএফ দেওয়া হয়েছে ৷ ইসলামিক জনপ্রিয় বই গুলোর পিডিএফ, ইসলামিক সালাত নামাজ বিষয়ক বই, ইসলামিক আত্মউন্নয়নমূলক বই, বইগুলোর পিডিএফ বিভিন্ন ক্লাউড স্টোরেজের আপলোড করা হয়েছে ৷ যেমন গুগোল ড্রাইভ, মিডিয়াফায়ার, এপ বক্স ইত্যাদি ৷ তাই এসব স্টরেজ থেকে বইগুলোর পিডিএফ ডাউনলোড করার স্টেপ গুলো এখানে ক্লিক করে দেখে নিন ৷