পিডিএফ পড়.কম

সাহাবিদের চোখে দুনিয়া বই PDF | ইমাম আহমদ ইবনে হাম্বল এর বই

লেখার সাইজA
A
5/5 - (1 vote)

সাহাবিদের চোখে দুনিয়া বই লেখক ইমাম আহমাদ ইবনু হাম্বাল (রহিমাহুল্লাহ) এবং অনুবাদ করেছেন জিয়াউর রহমান মুন্সী ৷ দুনিয়া সত্যিই এক বিস্ময়কর ও রহস্যময় স্থান। আমরা সবাই এই ক্ষণস্থায়ী পৃথিবীতেই জীবনযাপন করছি। কিন্তু কখনো কি ভেবে দেখেছি—দুনিয়ার সঙ্গে আমাদের প্রকৃত সম্পর্ক কী? আমরা এর কাছ থেকে কী প্রত্যাশা করি? আর এই জীবনে আমাদের আসল দায়িত্ব ও করণীয়ই বা কী? এমন অসংখ্য প্রশ্ন মানুষের মনে বারবার জাগে। অনেক পাঠক সাহাবিদের চোখে দুনিয়া বই PDF চেয়ে থাকেন ৷ আশা করি উপকৃত হবেন এবং সীরাতে রাসূল সাঃ বই পেতে ফলো রাখুন পিডিএফপড়.কম

দুনিয়াকে নবী-রাসূল, সাহাবি এবং তাবেয়িগণ কীভাবে দেখেছেন, সেই দৃষ্টিভঙ্গিই তুলে ধরেছেন হিজরি দ্বিতীয় শতকের প্রখ্যাত মুহাদ্দিস ইমাম আহমাদ ইবনু হাম্বল (রহিমাহুল্লাহ) তাঁর বিখ্যাত গ্রন্থ ‘কিতাবুয যুহদ’-এ। ‘যুহদ’ শব্দের আভিধানিক অর্থ হলো ‘দুনিয়ার প্রতি অনাসক্তি’ বা ‘দুনিয়া-বিরাগ’। গ্রন্থটি বর্তমানে তিনটি খণ্ডে প্রকাশিত হয়েছে। প্রথম খণ্ড ‘রাসূলের চোখে দুনিয়া’, দ্বিতীয় খণ্ড ‘সাহাবিদের চোখে দুনিয়া’ এবং তৃতীয় খণ্ড ‘তাবেয়ীদের চোখে দুনিয়া’

দুনিয়ার সাথে আমাদের সত্যিকার সম্পর্ক কতটুকু রাখা প্রয়োজন? দুনিয়ার ব্যাপারে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি কেমন হওয়া উচিত? প্রকৃত সফলতা কিসে? আমাদের প্রিয় নাবি কারীম (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এই দুনিয়াকে কিভাবে দেখেছেন জানতে হলে পড়ুন ইমাম আহমদ ইবনে হাম্বল (রহঃ) রচিত এক কালজয়ী গ্রন্থ ‘কিতাব যুহুদের’ অনুবাদ এই ‘রাসূলের চোখে দুনিয়া’।

সাহাবিদের চোখে দুনিয়া বই বিবরণ

  • বইয়ের নামঃ রাসূলের চোখে দুনিয়া (কিতাবুয যুহদ গ্রন্থের অনুবাদ) ৷
  • লেখকঃ ইমাম আহমদ ইবনে হাম্বল এর বই ৷
  • অনুবাদকঃ জিয়াউর রহমান মুন্সী ৷
  • প্রকাশনীঃ মাকতাবাতুল বায়ান ৷
  • পেইজ সংখ্যাঃ ২০৯টি ৷
  • ক্যাটাগরিঃ সীরাতে রাসূল সাঃ বই

📑 সূচিপত্র

বিষয়সূচী
অনুবাদকের কথা
লেখক পরিচিতি
বহুল-ব্যবহৃত আরবি বাক্যাংশের অর্থ.
মুহাম্মাদ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ও দুনিয়া……….
মাসজিদে আসা-যাওয়ার গুরুত্ব
সারা রাত ঘুমে কাটিয়ে দেয়ার নিন্দা,
রাসূলুল্লাহ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সালাতের ধরন,
রুকু ও সাজদায় তিনি যেসব তাসবীহ অধিক পরিমাণে পাঠ করতেন।
রাসূলুল্লাহ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এক ইয়াহুদির নিকট নিজের বর্ম বন্ধক রেখে খাবার কিনেছিলেন
তাঁর আচরণ
ঘরে তিনি যেসব কাজ করতেন।
ইন্তেকালের সময় রাসূল (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর রেখে যাওয়া সম্পদ
তিনি কখনো কোনো খাবারের দোষ অন্বেষণ করতেন না.
কেউ কোনো কিছু চাইলে তিনি কখনো ‘না’ বলেননি,
তাঁর গৃহে কখনো কোনো সন্ধ্যায় এক সা পরিমাণ শস্য কিংবা খেজুর ছিল না …..
এক ইয়াহূদির নিমন্ত্রণে নাবি (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সাড়া দিয়েছিলেন
দীর্ঘ সময় পর্যন্ত তাঁর নিকট কোনো খেজুর ও পানি ছিল না..
তিনি কখনো পেটভরে গমের রুটি খাননি..
তাঁর গৃহে কখনো কখনো একমাস পর্যন্ত কোনো রুটি বানানো হয়নি.
দাস যেভাবে বসে খাবার খায়, তিনিও সেভাবে খাবার খেতেন.
দীর্ঘদিন তিনি পেটভরে উষ্ণ খাবার খাননি.
তিনি বিলাসী পানীয় পরিহার করেছেন..
বিলাসিতা থেকে দূরে থাকার নির্দেশ.
নাবি (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর জামার আস্তিনের দৈর্ঘ্য
তিনি এক সাহাবির জামার দীর্ঘ হাতা কেটে দেন..
তিনি যেসব পোশাক পরতেন না..
রাসূলুল্লাহ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর ইন্তেকালের সময় রেখে যাওয়া সম্পদের বিবরণ,
ছবি-সজ্জিত ঘরে নাবি (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) প্রবেশ করেননি.
পোশাকের দীনতা ঈমানের অংশ.
আহলুস-সুফফার সাহাবিদের কাপড়ের টানাপড়েন
নাবি (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর স্ত্রীগণ উলের বস্ত্র পরিধান করতেন সফরে কয়েকজন সিয়ামহীন সাহাবির প্রশংসায় নাবি (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)
নাবি (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) প্রতিদিন একশত বার ক্ষমা প্রার্থনা ও অনুশোচনা করতেন
দুনিয়ার জীবন গ্রীষ্মকালীন সফরের খানিক বিরতির চেয়ে বেশি কিছু নয়,
যেটুকু প্রয়োজন সেটুকু খাবারের জন্য আল্লাহর নিকট দুআ
জীবনের নিগূঢ় রহস্য জানতে পারলে মানুষ অল্প হাসতো ও অধিক কাঁদতো.
আগামীকালের জন্য খাবার মজুদ করার উপর নিষেধাজ্ঞা
নাবি (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কাঠ বা টিনের গোল পাত্রে খাবার খেতেন আল্লাহর নিকট আত্মসমর্পণ ও ন্যূনতম জীবনোপকরণে পরিতৃপ্তিই সফলতার। পরিচায়ক
নাবি (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর প্লেটে কখনো কোনো খাবার অবশিষ্ট থাকতো না
দুনিয়াতে অপরিচিত ব্যক্তি কিংবা মুসাফিরের ন্যায় জীবনযাপন করা উচিত,
আগামীকালের অপেক্ষায় না থেকে সময়কে কাজে লাগানো উচিত জান্নাতবাসীর মৃত্যু নেই.
নাবি (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ভালো খাবার একলা খেয়ে তৃপ্ত হতেন না কৃপণতা না করার উপদেশ,
কয়েকটি সূরার ভারী নির্দেশ নাবি (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বুড়ো বানিয়ে দিয়েছিল.
আল্লাহর ভয়ে কান্নাকাটি করার চক্ষু লাভের জন্য দুআ
ভালো লাগলে বইটি অর্ডার করুন

সাহাবায়ে কেরামের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলাে যত কিছুই হােক না কেন সাহাবীগণ কখনাে আল্লাহ প্রদত্ত এবং রাসূল ( স 🙂 প্রদর্শিত ইসলাম থেকে বিচ্যুত হন নি । সাহাবীদের দুনিয়ার জীবন কেমন ছিল এবং কিভাবে অতিবাহিত করেছেন সেই আলােকে লেখা একটি অন্যতম বই হলাে ” কিতাবুয যুহদ । যা আজ থেকে প্রায় সাড়ে এগারােশত বছর পূর্বে ইমাম আহমদ বিন হাম্বল রচিত এক মহামূল্যবান গ্রন্থ । বইটি মূলত একটি হাদীসের বই । এখানে স্থান পেয়েছে বেশকিছু সাহাবী ( রা 🙂 এর দুনিয়াবী কর্ম ও দৃষ্টিভঙ্গি সংক্রান্ত হাদীসগুলাে ।

অভিজ্ঞ অনুবাদক আব্দুস সাত্তার আইনী কর্তৃক বাংলায় অনুবাদের পর যার নাম হয়েছে ” সাহাবীদের চোখে দুনিয়া ” ।

সার – সংক্ষেপঃ বইতে মােট ২৩ জন সাহাবীর দুনিয়া সম্পর্কে দৃষ্টিভঙ্গি আলােচনা করা হয়েছে । তারা কিভাবে দুনিয়ার জীবনে চলাফেরা করেছেন , দুনিয়ার ক্ষনিকের মােহ তাদের কিভাবে স্পর্শ করতাে এসবকিছু আলােচনার পাশাপাশি জানা যাবে তাদের ইমাণদীপ্ত জীবনের কথা । রাসূল ( স 🙂 সাহাবীদের যখন যেভাবে নির্দেশ করতে সাহাবায়ে কেরামগণ তখনই তা পালন করতে সচেষ্ট হতেন । শত প্রতিকূলতা সত্ত্বেও তারা কিভাবে ইসলামের উপর অটুট ছিল । তারা দুনিয়ার সফলতা নয় বরং আখেরাতের সফলতা পেতেই ব্যকুল ছিলেন । এভাবে ২৩ জন সাহাবায়ে কেরামের দুনিয়াবী জীবন সংক্রান্ত দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরা হয়েছে ” সাহাবীদের চোখে দুনিয়া ” বইতে ।।

সাহাবিদের চোখে দুনিয়া বইটি কেন পড়বেন?

১। আপনি যদি দুনিয়ার চিন্তায় সারাক্ষন ব্যস্ত থাকেন । দুনিয়ায় ব্যস্ততায় আল্লাহর ইবাদত করার মত সময় পাচ্ছেন না । তাহলে বইটি একবার হলেও পড়ুন । জানতে পারবেন সাহাবীগন জীবনের শত প্রতিকূলতা সত্ত্বেও কত সাধারণ জীবনযাপন করেছেন । কিন্তু তারপরও তারা আল্লাহর ইবাদত করা থেকে পিছপা হননি ।

২৷ বইটি এ জন্য পড়বেন যে বইতে পাবেন সাহাবাগণের দুনিয়ার প্রতি অনাসক্তি এবং আখিরাতের প্রতি আসক্তি বিষয়ক অনেক হাদীসের সমাহার ।

৩৷ আপনার জন্য বইটি হতে পারে সাহাবায়ে কেরামের দুনিয়ার দৃষ্টিভঙ্গি সম্পর্কে জানার এবং তাদের আদর্শ জীবনে বাস্তবায়ন করার এক অনন্য মাধ্যম ।

বইয়ের গুণগত মানঃ বইয়ের কভার , প্রছদ , বাইন্ডিং যথেষ্ট ভালাে । ভিতরের পৃষ্ঠাসজ্জা ও পেজ কোয়ালিটি উন্নত মানের । দক্ষ অনুবাদক জিয়াউর রহমান মুন্সীর অনুবাদে বইটি হয়েছে সহজ , সাবলীল ও প্রাণবন্ত । বিষয়সমূহের ধারা বর্ণনা , ভাষাশৈলী ও উপযুক্ত শব্দচয়ন বইটিকে নিয়ে গেছে অনন্য উচ্চতায় । বইতে বুক মার্কের জন্য ফিতারও ব্যবহার রয়েছে । আপনি চাইলেই যে যায়গায় পড়া বন্ধ করেছিলেন সেখান থেকে বুকমার্কের সাহায্যে আবার পড়া শুরু করতে পারবেন ।

ব্যক্তিগত অনুভুতিঃ যদি বলতে হয় তাহলে বলবাে বইটি এককথায় অসাধারন । বইটি পড়ার পর পাঠক বুঝতে পারবেন সাহাবায়ে কেরামের দুনিয়ার জীবন কেমন । ছিল । আরো জানতে পারবেন তাদের আচার আচরণ ও কর্মপন্থা সম্পর্কে । যা আমাদের জন্য অনুসরণীয় । সাহাবীদের দুনিয়ার জীবন থেকে শিক্ষনীয় অনেক কিছু আছে । কেননা তারা ছিলেন রাসূল ( স 🙂 এর সহচর্চ প্রাপ্ত . উম্মাহর শ্রেষ্ঠ প্রজন্ম এবং তাদের মধ্যে অনেকে দুনিয়াতেই জান্নাতের সুসংবাদ লাভ করেছেন । তাই সকল পাঠকের প্রতি অনুরােধ বইটি একবার হলেও পড়ুন আর জীবনকে রাঙিয়ে তুলুন সাহাবায়ে কেরামের জীবন ও আদর্শের আলােকে ।

বইটির পিডিএফ অনেক পাঠক অনলাইনে খুঁজে থাকেন। সম্ভব হলে নিচ থেকে হার্ডকপি অর্ডার করতে পারেন। এতে লেখক ও প্রকাশকদের নতুন বই প্রকাশে উৎসাহ বাড়ে। আমি বলবো একবার হলেও বইটি পড়ুন। বেশি বেশি বই কিনুন, বই পড়ুন। বই মানুষের নিঃস্বার্থ বন্ধু এবং অজানাকে জানার সেরা মাধ্যম।

15

একটু অপেক্ষা করুন, পিডিএফ খোঁজা হচ্ছে...

একটু অপেক্ষা করুন, অর্ডার লিংক তৈরি হচ্ছে...

BoiLover

Boi𝗟𝗼𝘃𝗲𝗿~বইলাভার

Join Telegram
সাম্প্রতিক বই ইসলামিক বই উপন্যাস বই বইমেলা ২০২৬ সকল ক্যাটাগরি সম্মানিত লেখকগণ আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ