পিডিএফ পড়.কম

গ্রন্থাগার ও তথ্য বিজ্ঞান বই PDF ডাউনলোড | মিজানুর রহমান

লেখার সাইজA
A
Rate this post

gronthagar o totthobiggan poriciti book pdf downoad fro pdfporo.

গ্রন্থাগার ও তথ্য বিজ্ঞান বই মিজানুর রহমান

গ্রন্থাগার একটি সামাজিক প্রতিষ্ঠান । সভ্য ও শিক্ষিত সমাজের সুচিন্তার ফসল হিসেবে এর উৎপত্তি । সমাজের সার্বিক প্রয়োজনেই গ্রন্থাগারের জন্ম । এই সমাজ প্রত্যয়টি নিয়ে বিভিন্ন মনীষী একে বিভিন্নভাবে আলোচনা করেছেন । মূলত সমাজ একটি সংগঠন বিশেষ । এটা গঠিত হয় বিভিন্ন ব্যক্তি এবং গোষ্ঠীর সমন্বয়ে মানুষের পারস্পরিক সম্পর্কের সমষ্টিই হচ্ছে সমাজ । এসব পণ্ডিত ব্যক্তির সামাজিক বিবর্তন সংক্রান্ত ধারণা প্রায় সম্পূর্ণভাবে কাল্পনিক ।

সপ্তদশ ও অষ্টাদশ শতাব্দীর পণ্ডিতদের ভেতর ইংরেজ দার্শনিক হসের নাম বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য । তার মতে মানব সমাজের শুরুতে মানুষ বর্বর ও স্বার্থপর · ছিল । নিছক সহজাত প্রবৃত্তির উপর নির্ভর করে ঐ সময় মানুষ বিচ্ছিন্নভাবে জীবন যাপন করত । হব্‌সের কনিষ্ঠ সহযোগী লক্ কিন্তু আদিম সমাজকে শান্তিপ্রিয় বলে ধারণা করেছেন । তার মতে মানুষ শুরুতে বিভিন্ন পরিবারে বিভক্ত হয়ে বিচ্ছিন্নভাবে বসবাস করত না , বরং সবাই মিলে একটা অভিন্ন গোষ্ঠী – জীবনযাপন করত ।

প্রাথমিক যুগের সামাজিক চিন্তাবিদ এবং সমাজ বিজ্ঞানীদের ধারণা সমাজের উৎপত্তি সম্বন্ধে ইটালীর বিখ্যাত চিন্তাবিদ ভিকোর মতবাদটি প্রধানত কল্পনাশ্রয়ী । তার মতে কিছু দিন যে মানুষকে অসামাজিক ও বন্য জীবনযাপন করতে হয়েছিল এ সম্বন্ধে কোনো সন্দেহ নেই । মানুষের এহেন বন্য ও বর্বর দশা থেকে মুক্তি হয় যখন সে ঐশ্বরিক আশীর্বাদের জোরে নিজের দোষত্রুটি সম্বন্ধে সচেতন হতে পারল । কৌৎ ও স্পেনসারের ধারণা তিনি মানব জ্ঞানের বিকাশের দিক থেকে যেটাকে ধর্মকেন্দ্রিক স্তর বলা হয় সেটাকে সামজ বিকাশের সামরিক স্তর বলে আখ্যায়িত করেছেন ।

কৌৎ এর মতে একমাত্র সুদূরপ্রসারী সংস্কারের মাধ্যমে মানব সমাজে আশানুরূপ উন্নতি সাধন সম্ভব । ডারউইনপন্থী সামাজিক বিজ্ঞানীদের ধারণা উনিশ শতকের শেষভাগে জীববিজ্ঞানী ডারউইনের প্রাকৃতিক নির্বাচন সংক্রান্ত মতবাদটি অনেক সমাজবিজ্ঞানীর মনে আলোড়ন সৃষ্টি করেছিল । এদের মধ্যে ইংরেজ পণ্ডিত বেইজহট এবং অস্ট্রিয়ার সামাজিক বিজ্ঞানী গামপ্লোভিজ ও র্যাটজেন হপারের নাম বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য । বেইজহট তার ‘ Physics and Politics ‘ নামক বই – এ বলেছেন যে , নিরবচ্ছিন্ন সংগ্রাম ও নির্বাচনের মাধ্যমে সমাজের বিবর্তন হয়েছে ।

এখানে সংগ্রাম বলতে তিনি সামাজিক সংগ্রামকে বুঝিয়েছেন । তার মতে অভিন্ন সামাজিক প্রথা ও রীতিনীতির মাধ্যমে মানবগোষ্ঠী একতাবদ্ধ হয়ে সুসংহত জীবন যাপন করে । আদিম সমাজের সকল মানুষ যখন সামাজিক প্রথা ও রীতিনীতি অনুযায়ী আচরণ করতে শিখে তখন ঐ সমাজে দলপতি বা নেতার আবির্ভাব ঘটে এবং এর ফলে সামাজিক ঐক্য ও সংহতি রক্ষিত হয় ।

গ্রন্থাগার ও তথ্যবিজ্ঞান পরিচিতি (প্রথম খন্ড)

‘গ্রন্থাগার ও তথ্যবিজ্ঞান পরিচিতি’ (প্রথম খন্ড) পুস্তকটি মূলতঃ বাংলাদেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও ইনস্টিটিউটের সিলেবাসের একত্রিত আলোচনা। বাংলাদেশে গ্রন্থাগার পেশাজীবীদের কাছে পুস্তকটি ব্যাপক পরিচিত। এবার ভারতের ওয়েস্ট বেঙ্গল-এর কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ের সিলেবাস আংশিক সংযোজন করে ভারতের গ্রন্থ বাজারে বইটির ১ম সংস্করণ প্রকাশিত হচ্ছে। সিলেবাসের ‘সমাজ, গ্রন্থাগার ও যোগাযোগ’, ‘গ্রন্থাগার ব্যবস্থাপনা’ ও ‘সূচিকরণ (তত্বিক)’ তিনটি বিষয় এ খন্ডে উপস্থাপনা করা হয়েছে। গ্রন্থাগার ও তথ্যবিজ্ঞান সম্পর্কিত অন্যান্য বিষয় গুলো দ্বিতীয় ও তৃতীয় খন্ডে প্রকাশিত হবে। পুস্তকটিকে সংশ্লিষ্ট বিষয়ের গভীরে প্রবেশ না করে বিষয় সম্পর্কে একটি ধারণা দেয়া হয়েছে মাত্র।

বর্তমান বিশ্বকে প্রযুক্তি নির্ভর বিশ্ব হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়েছে। পেশায় এই প্রযুক্তির প্রয়োগ দিন দিন গতানুগতিক ধারা পরিবর্তন করে আধুনিক বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত করতে সক্ষম হয়েছে। ধনী গরিব এখন আর আর্থিক দিক দিয়ে পরিমাপ করা হয় না। পেশায় যে যত বেশি এই প্রযুক্তির সাথে নিজেকে মানিয়ে তুলতে পেরেছে সেই তত ধনী হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। তথ্য আর প্রযুক্তি এই ধনী ও গরিবকে বিভাজন করে রেখেছে। কেননা গ্রন্থাগার পেশাজীবিদের বেতন ও পদমর্যাদা এই প্রযুক্তির প্রয়োগের সাথে উঠানামা করছে। আর গ্রন্থাগারই হলো পেশাজীবিদের এই প্রযুক্তির লালন ও পালন করার সর্বোত্তম প্রতিষ্ঠান। এজন্য দরকার জ্ঞান ও প্রযুক্তির চর্চা। আর চর্চা হতে হবে বিজ্ঞানভিত্তিক। গ্রন্থাগারভিত্তিক জ্ঞানের উপর ‘গ্রন্থাগার ও তথ্যবিজ্ঞান পরিচিতি’ পুস্তকটি গ্রন্থাগার বিজ্ঞানের প্রাথমিক পরিচিতি।

গ্রন্থাগার ও তথ্যবিজ্ঞান পরিচিতি (দ্বিতীয় খণ্ড)

‘গ্রন্থাগার ও তথ্যবিজ্ঞান পরিচিতি’ (দ্বিতীয় খণ্ড) পুস্তকটি মূলত: বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও ইনস্টিটিউটের সিলেবাসের একত্রিত আলোচনা। সম্পূর্ণ সিলেবাসের ‘শ্রেণীকরণ (তাত্বিক),’ ‘কম্পিউটার এ্যাপ্লিকেশন এবং ইনফরমেশন টেকনোলজি,’ ও ‘ডকুমেন্টেশন, ইনডেক্সিং এবং এ্যবস্ট্রাস্টিং’ তিনটি পত্র এ খণ্ডে আলোচনা করা হয়েছে। সিলেবালের বাকি অংশ প্রথম ও তৃতীয় খণ্ডে আলোচনা করা হয়েছে।

‘গ্রন্থাগার ও তথ্যবিজ্ঞান পরিচিতি’ গ্রন্থটির ৬ষ্ঠ সংস্করণ এবার তিনটি খণ্ডে প্রকাশিত হচ্ছে। বর্তমান সংস্করণেও জনাব রহমান একাধারে লেখক, সম্পাদক ও সংকলনের ভূমিকা পালন করেছেন। প্রচলিত ধারা পরিহার করে সম্পূর্ণ নতুন আংগিকে বর্ধিত কলেবরে সর্বশেষ তথ্য এতে সন্নিবেশিত হয়েছে। যা শিক্ষার্থীদের বেশ উপকারে আসবে।

গ্রন্থাগার ও তথ্যবিজ্ঞান পরিচিতি [তৃতীয় খণ্ড]

‘গ্রন্থাগার ও তথ্যবিজ্ঞান পরিচিতি’ [তৃতীয় খণ্ড] পুস্তকটি মূলতঃ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও ইনস্টিটিউটের সিলেবাসের একত্রিত আলোচনা। এবার ভারতের ওয়েস্ট বেঙ্গল- এর কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ের সিলেবাস আংশিক সংযোজন করায় বইটি ভারতের গ্রন্থ বাজারে ইতোমধ্যে প্রবেশ করতে সক্ষম হয়েছে। সম্পূর্ণ সিলেবাসের ‘গ্রন্থাগারে কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তির প্রয়োগ’ এবং ‘তথ্যায়ন, নির্ঘণ্টকরণ ও সারসংক্ষেপকরণ, পত্র দুটি এ খণ্ডে উপস্থাপন করা হয়েছে। এছাড়া সিলেবাসের বাকি অংশ ১ম, ২য় ও ৪র্থ খণ্ডে পাওয়া যাবে। গ্রন্থগার ও তথ্যবিজ্ঞান পরিচিতি গ্রন্থটির ৮ম সংস্করণ এবার চার খণ্ডে বর্ধিত কলেবরে প্রকাশিত হচ্ছে। প্রচলিত ধারা পরিহার করে সম্পূর্ণ নতুন আঙ্গিকে বর্ধিত কলেবরে সর্বশেষ তথ্য এতে সন্নিবেশিত হয়েছে। যা শিক্ষার্থীদের বেশ উপকারে আসবে।

গ্রন্থাগার ও তথ্য বিজ্ঞান বই PDF ডাউনলোড

বইটির পিডিএফ অনেক পাঠক অনলাইনে খুঁজে থাকেন। সম্ভব হলে নিচ থেকে হার্ডকপি অর্ডার করতে পারেন। এতে লেখক ও প্রকাশকদের নতুন বই প্রকাশে উৎসাহ বাড়ে। আমি বলবো একবার হলেও বইটি পড়ুন। বেশি বেশি বই কিনুন, বই পড়ুন। বই মানুষের নিঃস্বার্থ বন্ধু এবং অজানাকে জানার সেরা মাধ্যম।

15

একটু অপেক্ষা করুন, পিডিএফ খোঁজা হচ্ছে...

একটু অপেক্ষা করুন, অর্ডার লিংক তৈরি হচ্ছে...

BoiLover

Boi𝗟𝗼𝘃𝗲𝗿~বইলাভার

Join Telegram
সাম্প্রতিক বই ইসলামিক বই উপন্যাস বই বইমেলা ২০২৬ সকল ক্যাটাগরি সম্মানিত লেখকগণ আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ