মাহবুবুর রহমানের ICT বই একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য একটি সহায়ক বই। বইটি জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের সর্বশেষ পাঠ্যসূচির আলোকে রচিত। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো সহজভাবে তুলে ধরা হয়েছে। তথ্য প্রযুক্তি, বিশ্বগ্রাম, কমিউনিকেশন সিস্টেম, নেটওয়ার্কিং, সংখ্যা পদ্ধতি, ডিজিটাল ডিভাইসসহ প্রয়োজনীয় বিষয়গুলো এতে রয়েছে। অনেক শিক্ষার্থী মাহবুবুর রহমানের ICT বই PDF (Bangla এবং English Version) খুঁজে থাকেন ৷ আইসিটি বিষয়ক সকল বই পেতে আমাদের সাথেই থাকুন ৷
আইসিটি বিষয়টি প্রতিনিয়ত পরিবর্তনশীল। তাই বইটিতে সর্বশেষ তথ্য ও প্রযুক্তির বিষয়গুলোও গুরুত্ব পেয়েছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, রোবোটিক্স, বায়োমেট্রিক্স, জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং, ন্যানোটেকনোলজি ও ক্লাউড কম্পিউটিং নিয়ে আলোচনা রয়েছে। পাশাপাশি HTML, ওয়েব ডিজাইন, C প্রোগ্রামিং এবং ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের বিষয়গুলোও সুন্দরভাবে সাজানো হয়েছে।
মাহবুবুর রহমানের ICT বই-এ সৃজনশীল প্রশ্নের প্রস্তুতির দিকেও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। বিগত বছরের বোর্ড পরীক্ষার প্রশ্ন এবং বিভিন্ন কলেজের সৃজনশীল প্রশ্নের ধরন বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে। প্রতিটি টপিক থেকে সম্ভাব্য সংকেত ও প্রয়োজনীয় সমাধানের সূত্র দেওয়া হয়েছে। ফলে শিক্ষার্থীরা বিষয় বুঝে পড়ার পাশাপাশি পরীক্ষার জন্যও ভালোভাবে প্রস্তুতি নিতে পারে।
মাহবুবুর রহমানের ICT বই বিবরণ
- বইয়ের নামঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি সহায়ক বই ৷
- লেখকঃ মাহবুবুর রহমান (তথ্য প্রযুক্তিবিদ) ৷
- প্রকাশনীঃ সিসটেক পাবলিকেশন্স লিমিটেড ৷
- পৃষ্ঠা সংখ্যাঃ ৬২৪টি ৷
- ক্যাটাগরিঃ আইসিটি বিষয়ক বই ৷
মাহবুবুর রহমানের ICT বইয়ের অধ্যায়সমূহ
- প্রথম অধ্যায়: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি: বিশ্ব ও বাংলাদেশ
- দ্বিতীয় অধ্যায়: কমিউনিকেশন সিস্টেম ও নেটওয়ার্কিং
- তৃতীয় অধ্যায়: সংখ্যা পদ্ধতি ও ডিজিটাল ডিভাইস
- চতুর্থ অধ্যায়: ওয়েব ডিজাইন পরিচিতি ও HTML
- পঞ্চম অধ্যায়: প্রোগ্রামিং ভাষা
- ষষ্ঠ অধ্যায়: ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম
মাহবুবুর রহমানের ICT বই থেকে তথ্য প্রযুক্তি সম্পর্কে সংক্ষেপে জেনে নেই
গ্লোবাল ভিলেজ বা বিশ্বগ্রাম সম্পর্কে জানার পূর্বে বিশ্বগ্রামের মেরুদণ্ড হিসেবে বিবেচিত তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি সম্পর্কে জানা প্রয়োজন ।
প্রযুক্তি ( Technology )
বর্তমান যুগকে বলা হচ্ছে তথ্য প্রযুক্তির যুগ । এই যুগের পুরোটা বিকাশ জুড়ে আছে প্রযুক্তির অবদান । প্রযুক্তি শব্দটির ইংরেজি প্রতিশব্দ হলো Technology । গ্রিক শব্দ Techne ( যার অর্থ হলো আর্ট বা শিল্প , কারু কিংবা হাতের দক্ষতা ) এবং Logia ( যার অর্থ হলো শব্দ ) এই দুয়ের সমন্বয়ে টেকনোলজি শব্দটি গঠিত । প্রযুক্তি হলো বিজ্ঞান ও প্রকৌশলের সম্বন্ধে অর্জিত একটি ব্যবহারিক জ্ঞান । মানব সমাজের প্রেক্ষিতে প্রযুক্তির সংজ্ঞায় বলা যায় , প্রযুক্তি হলো কিছু প্রয়োগযোগ্য কৌশল যা মানুষ তার পারিপার্শ্বিক উন্নয়ন কাজে ব্যবহার করে । যেকোনো যন্ত্র ও প্রাকৃতিক উপাদানের সম্বন্ধে অর্জিত জ্ঞান ও তা দক্ষভাবে ব্যবহারের ক্ষমতাকে প্রযুক্তি বলা হয় ।
তথ্য প্রযুক্তি ( Information Technology )
” তথ্য ‘ শব্দটির ইংরেজি পরিভাষা হলো ” Information ” । ইংরেজি ইনফরমেশন শব্দটি ল্যাটিন শব্দমূল ‘ Informatio ‘ থেকে উৎপত্তি লাভ করেছে । এই শব্দটির ক্রিয়ামূল Informare ‘ , যার অর্থ কাউকে কোনো কিছু অবগত করা , পথ দেখানো , শেখানো , আদান – প্রদান ইত্যাদি । যে প্রযুক্তির মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহ , এর সত্যতা ও বৈধতা যাচাই , সংরক্ষণ , প্রক্রিয়াকরণ , আধুনিকীকরণ ও ব্যবস্থাপনা করা হয় তাকে তথ্য প্রযুক্তি ( Information Technology ) সংক্ষেপে আইটি ( IT ) বলা হয় । এক কথায় ইনফরমেশন সিস্টেম বা তথ্য ব্যবস্থার সাথে সংশ্লিষ্ট প্রযুক্তিকে তথ্য প্রযুক্তি বলা হয় । কম্পিউটারনির্ভর তথ্য প্রযুক্তির উপাদানগুলো হচ্ছে হার্ডওয়্যার বা কম্পিউটার সংশ্লিষ্ট যন্ত্রপাতি , প্রোগ্রামসমূহ বা সফটওয়্যার , হিউম্যানওয়্যার বা কম্পিউটার সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ , ডেটা , ইনফরমেশন , নেটওয়ার্ক মিডিয়া বা যোগাযোগ মাধ্যম , প্রসিডিওর বা কার্যপদ্ধতি ইত্যাদি ।
যোগাযোগ প্রযুক্তি ( Communication Technology )
কোনো ডেটাকে এক স্থান হতে অন্য স্থানে কিংবা এক ডিভাইস হতে অন্য ডিভাইসে স্থানান্তরের প্রক্রিয়া হচ্ছে ডেটা কমিউনিকেশন । অর্থাৎ কমিউনিকেশন বা যোগাযোগ এমন একটি প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে নির্ভরযোগ্যভাবে ডেটা বা উপাত্ত আদান – প্রদান করা সম্ভব । ডেটা কমিউনিকেশন ব্যবস্থার সাথে সংশ্লিষ্ট প্রযুক্তিকে যোগাযোগ প্রযুক্তি বা কমিউনিকেশন টেকনোলজি বলা হয় । প্রধানত তিনটি বৈশিষ্ট্যের ওপর ডেটা কমিউনিকেশন সিস্টেমের কার্যকারিতা নির্ভর করে । যথা—
১. ডেলিভারি ( Delivery ) : সিস্টেমকে অবশ্যই ঠিক প্রান্তে ডেটা ডেলিভারি করতে হয় ।
২. অ্যাকিউরেসি ( Accuracy ) : সিস্টেমকে অবশ্যই সঠিকভাবে ডেটা ডেলিভারি করতে হয় ।
৩. টাইমলাইনস ( Timeliness ) ; সিস্টেমকে অবশ্যই নির্ধারিত সময়ে ডেটা ডেলিভারি করতে হয় ।
তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ( Information and Communication Technology – ICT )
তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি এমন এক ধরনের একীভূত যোগাযোগ ব্যবস্থা যা টেলিযোগাযোগ , কম্পিউটার নেটওয়ার্ক ও তৎসম্পর্কিত সফটওয়্যার , হার্ডওয়্যার , মিডলওয়্যার , অডিও – ভিডিও সিস্টেম ইত্যাদির সমন্বয়ে পঠিত । এ ধরনের ব্যবস্থার মাধ্যমে একজন ব্যবহারকারী খুব সহজে তথ্য গ্রহণ , সংরক্ষণ , সঞ্চালন ও বিশ্লেষণ করতে পারেন । তথ্য প্রযুক্তি হচ্ছে তথ্য ব্যবস্থার সাথে সংশ্লিষ্ট প্রযুক্তি এবং যোগাযোগ প্রযুক্তি হচ্ছে ডেটা কমিউনিকেশন ব্যবস্থার সাথে সংশ্লিষ্ট প্রযুক্তি । অর্থাৎ একটি অপরটির উপর নির্ভরশীল । বর্তমানে মানুষ যখন কোনো সঠিক প্রয়োজনীয় তথ্য পেতে চায় তখন যোগাযোগ প্রযুক্তির সাহায্য ছাড়া শুধুমাত্র তথ্য প্রযুক্তি মানুষের এই চাহিদা পূরণ করতে পারবে না ।
কাজেই তথ্য প্রযুক্তি ও যোগাযোগ প্রযুক্তি উভয়ের উন্নয়নের ফলে মানুষের এই চাহিদা পূরণ হচ্ছে । সার্বিকভাবে প্রযুক্তির ব্যাপক উন্নয়নের ফলে তথ্য প্রযুক্তির সাথে যোগাযোগ প্রযুক্তির একীভূতকরণ করা হয়েছে । বর্তমানে তথ্য প্রযুক্তিকে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ( Information and Communication Technology ICT ) বলা হয় । কারণ এই দুই প্রযুক্তির মধ্যে রয়েছে নিবিড় সম্পর্ক । একটি আরেকটির পরিপূরক , তবে প্রতিযোগী নয় । কাজেই তথ্য প্রযুক্তি ও যোগাযোগ প্রযুক্তি অনেকটা সমার্থক হিসেবে সর্বত্রই ব্যবহৃত হচ্ছে । বিশ্বব্যাংক গ্রুপ কর্তৃক প্রকাশিত ICT sector উন্নয়নের কৌশলপত্র অনুসারে-
আরও পড়ুনঃ
মাহবুবুর রহমানের ICT বই PDF (Bangla এবং English Version)
বইটির পিডিএফ অনেক পাঠক অনলাইনে খুঁজে থাকেন। সম্ভব হলে নিচ থেকে হার্ডকপি অর্ডার করতে পারেন। এতে লেখক ও প্রকাশকদের নতুন বই প্রকাশে উৎসাহ বাড়ে। আমি বলবো একবার হলেও বইটি পড়ুন। বেশি বেশি বই কিনুন, বই পড়ুন। বই মানুষের নিঃস্বার্থ বন্ধু এবং অজানাকে জানার সেরা মাধ্যম।
একটু অপেক্ষা করুন, পিডিএফ খোঁজা হচ্ছে...
একটু অপেক্ষা করুন, অর্ডার লিংক তৈরি হচ্ছে...

