সীরাতে খাতামুল আম্বিয়া PDF | Sirate khatamul anbiya pdf

5/5 - (1 vote)

Sirate khatamul anbiya pdf | সীরাতে খাতামুল আম্বিয়া PDF | বিশ্বনবী রাসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর অনবদ্য সংক্ষিপ্ত জীবনী বই পিডিএফ | Google drive pdf link | PDF size: 4.0 MB

সীরাতে খাতামুল আম্বিয়া

আল্লামা মুফতি শফী’ (র) তাঁর জীবনের ক্ষুদ্র পরিসরে বহুবিধ দ্বীনি খেদমত আঞ্জাম দিয়ে গেছেন। তন্মধ্যে নবী জীবনী লেখার ন্যায় বেশ অনেকগুলো মূল্যবান গ্রন্থ প্রণয়ন করে জাতিকে কৃতজ্ঞতাপাশে আবদ্ধ করেছেন। তাঁর অন্য সকল গ্রন্থের ন্যায় আলোচ্য ‘সীরাতে খাতামুল আম্বিয়া’ গ্রন্থটিও সুফলদায়ক ৷

রাসূলে মাকবুল(সাঃ) আসাম-এর জীবনীকে লেখনীর মাধ্যমে সংরক্ষণের প্রতি মুসলমান ঐতিহাসিক ও আলেম সমাজ যে গুরুত্ব প্রদান করেছেন, পৃথিবীর ইতিহাসে অন্য কারো জীবনী সংরক্ষণে এতটুকু গুরুত্ব প্রদান করা হয়নি। তদুপরি নবী জীবনের প্রতিটি দিক ও প্রতিটি বিষয় এত সুস্পষ্টভাবে বিবৃত হয়েছে, যা আর কারো জীবনের ইতিহাসে কল্পনাও করা যায় না।

প্রত্যেক জীবনীকার নিজ নিজ দৃষ্টিভঙ্গিকে সামনে রেখে নবী করীম (সাঃ)- এর জীবনী লেখে গেছেন। তন্মধ্যে যেগুলো সহজবোধ্য ও সহজলভ্য হওয়ার সাথে সাথে প্রামাণ্য বর্ণনানির্ভর সেগুলো পাঠোপযোগী ও নিশ্চিত সুফলদায়ক। এমনি একটি নবী জীবনী ‘সীরাতে খাতামুল আম্বিয়া’। (সীরাতে খাতামুল আম্বিয়া PDF)

নবীজির বংশ, জন্ম, শৈশব

নবীজির বংশ

রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পৃথিবীর সবচেয়ে সম্ভ্রান্ত ও পবিত্র বংশের সন্তান। মক্কার কাফের ও নবীজির শত্রুরাও এ কথা অস্বীকার করতে পারেনি। আবু সুফিয়ান কাফের অবস্থায় রোমসম্রাটের সামনে এটি স্বীকার করেছেন। অথচ তখন তিনি নবীজিকে দোষারোপ করার সুযোগ খুঁজছিলেন।
পিতার দিক থেকে নবীজির বংশপরম্পরা নিম্নরূপ :

মুহাম্মাদ বিন আবদুল্লাহ বিন আবদুল মুত্তালিব বিন হাশেম বিন আবদে মানাফ বিন কুসাই বিন কিলাব বিন মুররাহ বিন কাব বিন লুওয়াই বিন গালিব বিন ফিহর বিন মালেক বিন নাযার বিন কিনানা বিন খুযাইমা বিন মুদরিকা বিন ইলয়াস বিন মুযার বিন নিযার বিন মাআদ বিন আদনান।

এতটুকু পর্যন্ত উম্মতের সর্বসম্মতিক্রমে প্রমাণিত। এখান থেকে আদম আ. পর্যন্ত বংশপরম্পরায় মতানৈক্য রয়েছে। তাই সেটা উল্লেখ করা হয়নি।
মায়ের দিক থেকে নবীজির বংশপরিক্রমা :

মুহাম্মাদ বিন আমিনা বিনতে ওয়াহাব বিন আবদে মানাফ বিন যুহরা বিন কিলাব। কিলাব বিন মুররাহ পর্যন্ত গিয়ে নবীজির পিতা-মাতার বংশ মিলে গেছে।

জন্মের পূর্বাভাস

সূর্য উদিত হওয়ার আগে সুবহে সাদিকের রশ্মি পৃথিবীকে যেভাবে নতুন প্রভাতের সুসংবাদ দেয়, তেমনি নবুওয়তের সূর্য উদিত হওয়ার আগে পৃথিবীর নানা প্রান্তে এমন কিছু ঘটনা ঘটে, যা নবীজির আগমনের সুসংবাদ প্রদান করে। মুহাদ্দিস ও ইতিহাসবিদদের পরিভাষায় যাকে বলা হয় ‘ইরহাসাত’।

নবীজির মা আমিনার ভাষ্যমতে, নবীজি যখন মাতৃগর্ভে আগমন করেন, তখন তাকে স্বপ্নে সুসংবাদ প্রদান করা হয়, ‘আপনার গর্ভের সন্তান এই উম্মতের নেতা হবেন। তার জন্মের পর বলবেন, “আমি আমার সন্তানকে সকল হিংসুকের অনিষ্ট থেকে এক আল্লাহর আশ্রয়ে সমর্পণ করছি।” আর তার নাম রাখবেন মুহাম্মাদ।

নবীজির মা বলেন, ‘মুহাম্মাদ আমার গর্ভে আসার পর আমি দেখতে পাই, আমার দেহ থেকে একটি আলো বের হয়েছে। সে আলোয় সিরিয়ার বুসরা শহরের প্রাসাদসমূহ আমার চোখের সামনে উদ্ভাসিত হয়ে ওঠে।’ তিনি আরো বলেন, ‘মুহাম্মাদের চেয়ে হালকা-পাতলা ও সহজ গর্ভধারণ আমি অন্য কোনো নারীর ক্ষেত্রে দেখিনি।’ অর্থাৎ গর্ভধারণের সময় সাধারণত নারীদের বমি বমি ভাব অথবা দুর্বলতা দেখা দেয়, এসবের কিছুই তাঁর ক্ষেত্রে হয়নি।

এছাড়া আরো অনেক ঘটনা ঘটেছিল, এই সংক্ষিপ্ত পুস্তিকায় যার বিবরণ দেওয়ার সুযোগ নেই।

বরকতময় জন্ম

এ বিষয়ে সবাই একমত, নবীজির সৌভাগ্যময় জন্ম হয়েছে সেই বছর, যে বছর আসহাবে ফীল বাইতুল্লাহ আক্রমণ করতে এসেছিল আর আল্লাহ তাআলা ‘আবাবিল’ তথা ছোট ছোট পাখির ঝাঁকের মাধ্যমে তাদেরকে পরাজিত করেছিলেন। যার সংক্ষিপ্ত বিবরণ কুরআনেও রয়েছে। মূলত হাতির ঘটনাও ছিল নবীজির জন্মসংক্রান্ত বরকতের সূচনা।

মহানবীর জন্ম হয়েছে সেই ঘরে, যা পরবর্তীকালে হাজ্জাজের ভাই মুহাম্মাদ বিন ইউসুফের মালিকানায় আসে।

কিছু ইতিহাসবিদের মতে, হাতির ঘটনা ঘটেছে ২০ এপ্রিল ৫৭১ খ্রিস্টাব্দে।১ এর মাধ্যমে জানা যায়, নবীজির জন্ম হয়েছে ঈসা আ.-এর জন্মের ৫৭১ বছর পর।

পৃথিবীতে মানুষের আগমন

হাফেয ইবনে আসাকির পৃথিবীর সংক্ষিপ্ত ইতিহাস এভাবে লেখেন: আদম আ. থেকে নুহ আ. পর্যন্ত ১২০০ বছর, নুহ আ. থেকে ইবরাহিম আ. পর্যন্ত ১১৪২ বছর, ইবরাহিম আ. থেকে মুসা আ. পর্যন্ত ৫৬৫ বছর, মুসা আ. থেকে দাউদ আ. পর্যন্ত ৫৬৯ বছর, দাউদ আ. থেকে ঈসা আ. পর্যন্ত ১৩৫৬ এবং ঈসা আ. থেকে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পর্যন্ত ৬০০ বছর অতিবাহিত হয়েছে।

এভাবে আদম আ.-এর ইন্তেকাল থেকে নবীজি পর্যন্ত ৫৪৩২২ বছর হয়। আর প্রসিদ্ধ মতানুযায়ী আদম আ. ৯৬০ বছর জীবন লাভ করেন। তাই আদম আ.-এর পৃথিবীতে আগমনের প্রায় ৬ হাজার [৬৩৯২] বছর পর সপ্তম সহস্রাব্দে শেষ নবীর আগমন ঘটে।

মোটকথা, আসহাবে ফীলের আক্রমণের বছর রবিউল আউয়াল মাসের ১২ তারিখ রোজ সোমবার পৃথিবীর ইতিহাসে এক বিরল দিন, যে দিন পৃথিবী সৃষ্টির উদ্দেশ্য, দিন-রাতের বিবর্তনের মূল কারণ, আদম আ. ও তাঁর সন্তানদের গর্ব, নূহ আ.-এর কিশতি হেফাজতের রহস্য, ইবরাহিম আ.-এর দোয়া এবং মুসা ও ঈসা আ.-এর ভবিষ্যদ্বাণীর বাস্তবায়ন অর্থাৎ আমাদের প্রিয় নবী পৃথিবীতে শুভাগমন করেন।

একদিকে পৃথিবীতে নবুওয়তের সূর্যের আত্মপ্রকাশ ঘটে, অপরদিকে পারস্যে কিসরার রাজপ্রাসাদে ভূকম্পন সৃষ্টি হয়, যার ফলে ১৪টি গম্বুজ ধসে পড়ে। পারস্যের সাওয়া উপসাগর আকস্মিক শুকিয়ে যায়। পারস্যের যে অগ্নিকুণ্ড এক হাজার বছর ধরে কখনো নির্বাপিত হয়নি, তা নিজে থেকেই নিভে যায়।

মূলত এগুলো ছিল অগ্নিপূজা ও সব ধরনের ভ্রষ্টতার পরিসমাপ্তির ঘোষণা এবং পারস্য ও রোম সাম্রাজ্যের পতনের ইঙ্গিত।

সহিহ হাদীসে বর্ণিত, নবীজির জন্মের পর তাঁর দেহ থেকে একটি আলো প্রকাশিত হয়, যার মাধ্যমে পূর্ব-পশ্চিম আলোকিত হয়ে যায়। এরপর তিনি দুই হাতে ভর দিয়ে মাটিতে নেমে আসেন। তারপর এক মুঠো মাটি হাতে নিয়ে মাথা উপরে তুলে আকাশের দিকে তাকান। (সীরাতে খাতামুল আম্বিয়া PDF)

আরও পড়ুনঃ

পিতার ইন্তেকাল

নবীজির জন্মের আগে তাঁর পিতা আবদুল্লাহকে দাদা আবদুল মুত্তালিব খেজুর আনতে মদীনায় পাঠান। পিতা তাঁকে গর্ভাবস্থায় রেখে মদীনায় যান। ঘটনাক্রমে সেখানেই তাঁর ইন্তেকাল হয়। এভাবে জন্মের আগেই পিতার ছায়া মাথার ওপর থেকে উঠে যায়।

দুধপান ও শৈশব

প্রথমে মা আমিনা, কিছুদিন পর আবু লাহাবের দাসী সুওয়াইবা নবীজিকে দুধপান করান। তারপর এ সৌভাগ্য অর্জন করেন হালিমা সাদিয়া রা.।

আরবের সম্ভ্রান্ত পরিবারের রীতি ছিল, শিশুকে দুধপান করানোর জন্য আশপাশের গ্রামে পাঠিয়ে দেওয়া হতো। এর ফলে শিশুদের স্বাস্থ্য ভালো থাকত এবং তারা বিশুদ্ধ আরবি ভাষা শিখে ফেলত। তাই গ্রামের নারীরা প্রায় সময় নবজাতক শিশুদের নিয়ে আসার জন্য শহরে যেত।

হালিমা সাদিয়া রা. বর্ণনা করেন, আমি তায়েফ থেকে বনু সাদের নারীদের সঙ্গে দুগ্ধপোষ্য শিশুর সন্ধানে মক্কায় আসি। সে বছর দুর্ভিক্ষ চলছিল আর আমার কোলে ছিল আমার সন্তান। কিন্তু (দরিদ্রতার কারণে) তার জন্য যথেষ্ট পরিমাণ দুধ ছিল না। সারা রাত সে ক্ষুধায় ছটফট করত আর আমরা তার কারণে নির্ঘুম রাত কাটাতাম।

আমাদের একটি উটনীও ছিল, তবে সেটারও দুধ ছিল না। মক্কায় যাওয়ার পথে যে গাধার পিঠে আরোহণ করি, সেটিও এত রুগ্ন ছিল যে, সবার সাথে তাল মিলিয়ে চলতে পারছিল না। সফরসঙ্গীরা বিরক্ত হচ্ছিল। এভাবে অনেক কষ্টে সফর সমাপ্ত হয়।

মক্কায় আসার পর নবীজির ব্যাপারে অন্য নারীরা যখন জানতে পারে তিনি এতিম, তখন উপহার ও সম্মান লাভের আশা না থাকায় কেউ তাকে গ্রহণ করছিল না। অপরদিকে হালিমার সৌভাগ্যের সেতারা চমকাচ্ছিল। তার দুধ- স্বল্পতা তার জন্য রহমত হয়ে দেখা দিল। দুধের স্বল্পতার কারণে কেউ তার কোলে আপন সন্তান তুলে দিচ্ছিল না।

হালিমা নিজ স্বামীকে বলেন, ‘খালি হাতে ফিরে যাওয়া তো ঠিক হবে না, তারচেয়ে এই এতিম শিশুকেই নিয়ে যাই।’ স্বামী অনুমতি দিলে তিনি এতিম রত্নকে নিয়ে আসেন। যার মাধ্যমে শুধু আমিনা ও হালিমার ঘরই নয়, পূর্ব থেকে পশ্চিম আলোকিত হওয়ার অপেক্ষায় ছিল। আল্লাহর অনুগ্রহে নবীজি হালিমার কোলে আসেন।

শিশু নবীকে নিয়ে বিশ্রামস্থলে আসার পর বরকত প্রকাশ পেতে থাকে। তখন এত বেশি দুধ আসে যে, নবীজি ও তাঁর দুধভাই তৃপ্তির সাথে দুধপান করে ঘুমিয়ে পড়েন। ওদিকে উটনীর স্তনও দুধে পরিপূর্ণ হয়ে ওঠে।

হালিমা বলেন, আমার স্বামী উটনীর দুধ দোহন করেন। আমরা সবাই পেট ভরে দুধ পান করি। বহুদিন পর আমরা প্রশান্তির সাথে সারা রাত ঘুমাই। ফলে আমার স্বামী বলতে থাকেন, ‘হালিমা, তুমি তো অনেক বরকতময় শিশু নিয়ে এসেছ!’ আমি বললাম, ‘আমারও ধারণা, ইনি অত্যন্ত বরকতময় শিশু।’

এরপর আমরা মক্কা থেকে ফিরতি পথে রওনা হই। আমি শিশুটিকে কোলে নিয়ে সেই গাধার পিঠে আরোহণ করি। এবার অবাক হয়ে লক্ষ করি, আল্লাহর কুদরতে সেটি এত দ্রুতগতিতে চলছে যে, কারো বাহন এর কাছাকাছিও আসতে পারছে না! আমার সফরসঙ্গীরা বিস্মিত হয়ে বলতে থাকে, ‘এই কি সেই বাহন, যার ওপর সওয়ার হয়ে তুমি এসেছিলে?’

একপর্যায়ে আমরা বাড়িতে ফিরে আসি। আমাদের এলাকায় তখন মারাত্মক দুর্ভিক্ষ চলছিল। কোনো পশু দুধ দিচ্ছিল না। কিন্তু আমরা বাড়িতে প্রবেশ করতেই আমাদের বকরিগুলো দুধে পরিপূর্ণ হয়ে ওঠে। এরপর থেকে প্রতিদিন বকরিগুলো দুধে পূর্ণ হয়ে বাড়ি ফিরে আসত, অথচ অন্য কারো পশু থেকে এক ফোঁটা দুধও পাওয়া যেত না। গোত্রের লোকেরা তাদের রাখালদের বলতে থাকে, ‘হালিমার বকরি যেখানে চরে, তোমরা সেখানে পশু চরাও।

তবে এখানে চারণভূমি ও ময়দানের বৈশিষ্ট্য ছিল না, বরং এক দুর্লভ রত্নের প্রতিপালনের উদ্দেশ্যে আল্লাহর কুদরতে এমনটি হয়েছিল। এজন্য একই স্থানে চরানো সত্ত্বেও গোত্রের অন্যান্য পশু দুধশূন্য আর আমার বকরিগুলো দুধে পূর্ণ হয়ে ফিরে আসত। এভাবে আমরা নিয়মিত নবীজির বরকত প্রত্যক্ষ করতে থাকি। একসময় তাঁর বয়স দুই বছর হয়ে যায় আর আমি তাকে দুধ খাওয়ানো বন্ধ করে দিই।

সীরাতে খাতামুল আম্বিয়া PDF | Sirate khatamul anbiya pdf

নবী (সাঃ) এর জীবনী নিয়ে লিখা “সীরাতে খাতামুল আম্বিয়া” আল্লামা মুফতি শফী’ (র) এর মূল্যবান একটি গ্রন্থ ৷ আপনারা অনেকেই সীরাতে খাতামুল আম্বিয়া PDF আকারে অনলাইনে খুজে থাকেন ৷ কিন্তু বইটির পিডিএফ সহজে খোজে না পাওয়ার কারনে বইটি পড়া হয় না ৷ তাই আপনাদের পড়ার সুবিধার্থে অনলাইন থেকে সংগ্রহ করে বইটির পিডিএফ এখানে দেওয়া হলো ৷ নিচে ডাউনলোড বাটন আছে ডাউনলোড করে পড়তে থাকুন এবং অবশ্যই অন্যকে পড়ার জন্য লিংকটি শেয়ার করবেন ৷ সর্বশেষ একটি কথাই বলবো, বইটির হার্ডকপি সংগ্রহ করে পড়ার যাদের সামর্থ রয়েছে তারা অবশ্যই বইটি ক্রয় করবেন ৷

সীরাতে খাতামুল আম্বিয়া PDF | Sirate khatamul anbiya pdf
  • বইঃ সীরাতে খাতামুল আম্বিয়া ৷
  • লেখকঃ হযরত মাওলানা মুফতি মোহাম্মদ শফী (রহ.) ৷
  • প্রকাশনীঃ এমদাদিয়া লাইব্রেরী প্রকাশনী ৷
  • সাইজঃ ৪.০০ এমবি ৷
  • ডাউনলোড লিংকঃ সীরাতে খাতামুল আম্বিয়া PDF