পিডিএফ পড়.কম

বেহেশতী জেওর বাংলা PDF সম্পূর্ণ খণ্ড (১ থেকে ১১ খণ্ড)

লেখার সাইজA
A
4.2/5 - (4 votes)

বেহেশতী জেওর বাংলা PDF সম্পূর্ণ খণ্ড (১ থেকে ১১ খণ্ড) পাঠকরা অনলাইনে খুঁজে থাকেন ৷ বেহেশতী জেওর হাকীমুল উম্মত হযরত মাওলানা আশরাফ আলী থানভী (রহ.) রচিত ফিকাহবিষয়ক একটি মূল্যবান কিতাব। এতে একজন মুসলমানের জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত বিভিন্ন বিষয়াবলীর শরয়ী ব্যবস্থাপনা ও সমাধান তুলে ধরা হয়েছে। পবিত্রতা, নামায-রোযা, বিবাহ, হালাল-হারামসহ ইসলামি শরিয়তের বিভিন্ন মাসআলা-মাসায়েল এতে একত্রে খন্ড আকারে রয়েছে ৷

মূল বেহেশতী জেওর উর্দু ভাষায় রচিত এবং ১০ খণ্ডে সমাপ্ত। পরবর্তীতে বেহেশতী গাওহার-এর মাসআলাসমূহ সংশ্লিষ্ট অধ্যায়ের সঙ্গে সংযোজন করে ১১ খণ্ড একত্রে প্রকাশ করা হয়েছে। বাংলা ভাষাভাষী মুসলমানদের উপকারের জন্য কিতাবটির বঙ্গানুবাদ করা হয়েছে। হযরত মাওলানা শামছুল হক (রহ.) ফরিদপুরীসহ বিভিন্ন অনুবাদক এই কিতাবের বাংলা অনুবাদ করেছেন।

বেহেশতী জেওর মূলত মহিলাদের জন্য লেখা হয়েছিল। তবে কিতাবখানা এত সুন্দর ও ব্যাপক পরিধিসম্পন্ন হয়েছে যে, পুরুষেরা এমনকি আলেমগণও এই কিতাব থেকে অনেক কিছু শিক্ষা গ্রহণ করেন। দীর্ঘদিন যাবৎ কওমি মাদরাসার দরসে নিজামীর অন্তর্ভুক্ত রয়েছে কিতাবটি। মাদরাসার শিক্ষার্থী থেকে শুরু করে সাধারণ মুসলিম নারী-পুরুষ সবাই এই কিতাব থেকে উপকৃত হতে পারবেন।

বেহেশতী জেওর বাংলা বই বিবরন

বেহেশতী জেওর মূলত ১০ খণ্ডে সমাপ্ত। ১১তম খণ্ডের নাম বেহেশতী গাওহার। এটি বেহেশতী জেওরের অন্যান্য খণ্ডের পরিশিষ্ট হিসেবে রচিত। বেহেশতী গাওহারের মাসআলাসমূহ সংশ্লিষ্ট অধ্যায়ের সঙ্গে সংযোজন করে ১১ খণ্ড একত্রে প্রকাশ করা হয়েছে।

বইটির ভলিউমগুলো হলো—

  • ১ম ভলিউম: ১ম, ২য় ও ৩য় খণ্ড।
  • ২য় ভলিউম: ৪র্থ, ৫ম, ৬ষ্ঠ ও ৭ম খণ্ড।
  • ৩য় ভলিউম: ৮ম, ৯ম ও ১০ম খণ্ড।

বেহেশতী জেওর বইয়ের লেখক ও অনুবাদক পরিচিতি

লেখক: হাকীমুল উম্মত হযরত মাওলানা আশরাফ আলী থানভী (রহ.)।

হযরত মাওলানা আশরাফ আলী থানভী (রহ.) ইসলাম ও মুসলিম সমাজের খেদমতে অসংখ্য কিতাব রচনা করেছেন। মাওলানা শামছুল হক ফরিদপুরী (রহ.)-এর বর্ণনা অনুযায়ী, তিনি প্রায় এক হাজার কিতাব লিখেছেন। তাঁর রচিত কিতাবগুলোর মধ্যে বেহেশতী জেওর বিশেষভাবে পরিচিত।

অনুবাদক: হযরত মাওলানা শামছুল হক (রহ.) ফরিদপুরী।

তিনি বেহেশতী জেওরের মর্ম বাংলা ভাষায় তুলে ধরেছেন। তাঁর অনুবাদে মূল কিতাবের খোলাছা মতলব নিয়ে বাংলা ভাষায় বিষয়গুলো বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে। তিনি প্রতিটি বিষয় শব্দে শব্দে অনুবাদ করেননি। বরং সাধারণ পাঠকের বোঝার উপযোগী করে মূল কথাটি বাংলায় বুঝিয়েছেন।

বেহেশতী জেওর বাংলা অনুবাদ বই থেকে কিছু অংশ

দানের উপকারিতা

হযরত রাসূলে করীম ( দ . ) বলেন , এক ব্যক্তি এক জঙ্গলে ভ্রমণ করিতেছিল । সহসা সে একখণ্ড মেঘের মধ্য হইতে গায়েবী আওয়াজ শুনিল , অমুক ব্যক্তির বাগানে পানি বর্ষণ কর । ঐ আওয়াজের সাথে সাথে মেঘখণ্ড কিছুদূর গিয়া এক বালুকা ভূমির উপরে মুষলধারে বৃষ্টিপাত করিল । উহার সমস্ত পানি একটি নালা দিয়া বহিয়া চলিল । ঐ লোকটি উক্ত পানির স্রোতের অনুসরণ করিতে লাগিল । কিছুদূর গিয়া সে দেখিল , এক ব্যক্তি কোদাল দ্বারা ক্ষেতের আইল বাঁধিয়া সেই পানি আটকাইয়া উহা তাহার ক্ষেতের মধ্যে বহাইয়া দিতেছে ।

লোকটি ক্ষেতের মালিককে জিজ্ঞাসা করিল , ভাই ! আপনার নামটি কি বলুন তো শুনি । সে তাহার নামটি বলিল , এই নামই ঐ লোকটি মেঘের মধ্য হইতে শুনিয়াছিল । এবার ক্ষেতওয়ালা লোকটিকে জিজ্ঞাসা করিল ভাই ! তুমি আমার নাম জিজ্ঞাসা করিলে কেন ? সে জবাব দিল , যে মেঘ এই পানি বর্ষাইয়াছে , তাহার মধ্য হইতে একটি আওয়াজ শুনিলাম , আপনার নামোচ্চারণ করিয়া বলিল , অমুকের বাগানে পানি দিয়া দাও । আচ্ছা , বলুন তো আপনি কি আমল দ্বারা এমন মকবুল বান্দা হইলেন ?

বাগিচাওয়ালা বলিল , বলতো ঠিক নহে , কেননা নিজের কাজের কথা বলার নির্দেশ নাই , তবে আপনাকে অবশ্য বলিতেও হয় , তাই বলিতেছি— আমার এই ক্ষেত্রে যাহা কিছু ফসল ফলে তাহা তিন ভাগ করতঃ একভাগ আমি গরীব – দুঃখীকে দান করি , একভাগ দ্বীয় পরিবার – পরিজনের জন্য খরচ করি আর বাকী একভাগ ক্ষেতের ফসল ফলানোর কাজে ব্যয় করি । ফায়েদাহ : সুবহানাল্লাহ !

আল্লাহ তায়ালার কি অসীম অনুগ্রহ । যে সত্যিকারভাবে আল্লাহর নির্দেশ পালন করে , আল্লাহর রহমতে তাহার সাহায্য গায়েব হইতে এমনভাবে আসিয়া হাজির হয় যে , সে তাহার কোন খবরও জানে না , ইহা একান্ত সত্য কথা- যে ব্যক্তি আল্লাহর হইয়া যায় , আল্লাহ তায়ালাও তাহার হইয়া যান ।

কৃতজ্ঞতা ও অকৃতজ্ঞতার পরীক্ষা

একদা হুযুরে পাক ( দ . ) এরশাদ করিরেলন , বনি ইব্রাইল গোত্রে তিনটি লোক ছিল । একজন কুন্ঠ রোগী , দ্বিতীয়জন মাথায় টাক পড়া ও তৃতীয়জন অন্ধ । আল্লাহ তায়ালা লোক তিনটিকে পরীক্ষা করিতে চাহিলেন । তাহাদের কাছে একজন ফেরেশতা পাঠানো হইল । ফেরেশতা প্রথমে কুষ্ঠ রোগীর নিকট গিয়া বলিলেন , তুমি কি চাও ? সে জবাব দিল , আমি আল্লাহর কাছে চাহি যে , আমার এই কুৎসিত রোগ আরোগ্য হউক ।

আমার দেহ নূতন চর্মে নূতন রূপ ধারণ করুক যে , আমি লোকের সামনে যাইতে পারি , তাহারা আমাকে ঘৃণা না করে । ফিরেশতা তাহার দেহে হাত বুলাইয়া দোয়া করিলেন । তন্মুহূর্তে তাহার রোগ আরোগ্য হইয়া দেহ নতুন রূপ ধারণ করিল । অতঃপর ফেরেশতা তাহাকে জিজ্ঞাসা করিলেন , তুমি এখন কি পাইতে চাহ ? সে বলিল , আমি একটি উষ্ট্রী পাইলে ফায়েদা হয় । ফিরেশতা তাহাকে একটি গর্ভবর্তী উষ্ট্রী আনিয়া দিলেন এবং আল্লাহর দরবারে বরকতের জন্য দোয়া করিলেন ।

বেহেশতী জেওর বাংলা PDF সম্পূর্ণ খণ্ড (১ থেকে ১১ খণ্ড ডাউনলোড)

বইটির পিডিএফ অনেক পাঠক অনলাইনে খুঁজে থাকেন। সম্ভব হলে নিচ থেকে হার্ডকপি অর্ডার করতে পারেন। এতে লেখক ও প্রকাশকদের নতুন বই প্রকাশে উৎসাহ বাড়ে। আমি বলবো একবার হলেও বইটি পড়ুন। বেশি বেশি বই কিনুন, বই পড়ুন। বই মানুষের নিঃস্বার্থ বন্ধু এবং অজানাকে জানার সেরা মাধ্যম।

15

একটু অপেক্ষা করুন, পিডিএফ খোঁজা হচ্ছে...

একটু অপেক্ষা করুন, অর্ডার লিংক তৈরি হচ্ছে...

BoiLover

Boi𝗟𝗼𝘃𝗲𝗿~বইলাভার

Join Telegram
error: Content is protected !!
সাম্প্রতিক বই ইসলামিক বই উপন্যাস বই বইমেলা ২০২৬ সকল ক্যাটাগরি সম্মানিত লেখকগণ আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ