পিডিএফ পড়.কম

বুখারী শরীফ বাংলা PDF (সব প্রকাশনী) | Bukhari Sharif Bangla

লেখার সাইজA
A
5/5 - (1 vote)

হাদীস গ্রন্থসমূহের মধ্যে সর্বাধিক নির্ভরযোগ্য এবং সর্বাপেক্ষ বিশুদ্ধ হলো ইমাম বুখারী (রাঃ) কর্তৃক সংকলিত সহীহুল বুখারী। বুখারী শরীফ বাংলা PDF হাদীসগ্রন্থ অনেকে সময় প্রয়োজন পড়ে ৷ এই পোষ্টে আপনি সকল প্রকাশনীর সহীহ বুখারী শরীফ সব খন্ড বাংলা পিডিএফ ডাউনলোডসহ এবং হার্ডকপি অর্ডার করতে পারবেন ৷

পৃথিবীর সর্বাধিক যুগান্তকারী বিশুদ্ধতম এবং সর্ব মুহূর্তে পঠিত গ্রন্থ হলো আল কুরআন। বিশুদ্ধতার মানদণ্ডে ও পঠন তালিকায় এর পরেই শীর্ষতম স্থানটি হলো সহীহ হাদীস। হাদীস সংরক্ষণের জন্যে অনেকগুলো গ্রন্থ রচনা হয়েছে। তার মধ্যে ইমাম বোখারী (র.) এর শ্রেষ্ঠ সংকলন বোখারী শরীফ সহীহ রূপে প্রমাণিত।

ইমাম বোখারী (র.) দীর্ঘ ষোল বছর পর্যন্ত অক্লান্ত পরিশ্রম করে সহীহ সনদের মাধ্যমে হাদীস সমূহ একত্রিত করে মুসলিম বিশ্বকে উপহার দিয়েছেন। ২১২ হিজরী থেকে শুরু করে ২২৮ হিজরীতে এ হাদীস সংকলন শেষ হয়।

ইমাম বোখারী (র.) ছয়লক্ষ বা সাতলক্ষ হাদীসের মধ্যে থেকে যাচাইবাছাই করে বর্ণণাকারীদের ন্যায়পরায়নতা, ধীশক্তি, সততা, আমানতদারীর উপর ভিত্তি করে সাত হাজার দু’শত পচাত্তর অপর বর্ণণায় সাত হাজার তিনশত সাতানব্বই খানা হাদীস সহীহ বোখারী শরীফে সংকলন করেন।

বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন মনীষীগণ বিভিন্ন ভাষায় সহীহ বোখারী শরীফের টীকা টিপ্পণী ও ব্যাখ্যা বিশ্লেষণসহ অনুবাদ করে মুসলিম বিশ্বকে বিশুদ্ধতম হাদীসের সাথে পরিচিত করেছেন। বাংলা ভাষায়ও সহীহ বোখারী শরীফের কয়েকখানা অনুবাদ প্রকাশিত হয়েছে।

১ | বুখারী শরীফ ইসলামিক ফাউন্ডেশন

বুখারী শরীফ বাংলা অনুবাদগুলোর মধ্যে ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ সবচেয়ে পুরনো, পাঠকপ্রেমী, নির্ভরযোগ্য, সহজ-সরল অনুবাদ। আপনি যদি একজন পাঠক হয়ে থাকেন এবং সহজ সরল ব্যাখ্যাসহ আরবি বাংলা একসাথে চান তাহলে পড়তে পারেন ইসলামিক ফাউন্ডেশন এর দশখন্ডের বুখারী শরীফ ৷ দীর্ঘদিন ধরে আলেম, শিক্ষক, শিক্ষার্থী এবং সাধারণ পাঠকসহ বিভিন্ন মাদরাসা, ইসলামিক লাইব্রেরি এবং গবেষণা প্রতিষ্ঠানে এটি রেফারেন্স গ্রন্থ হিসেবে পড়ানো হচ্ছে ৷

ইসলামিক ফাউন্ডেশন বুখারী শরীফ আরও নির্ভরযোগ্য হাদীস গ্রন্থ হিসেবে পরিচিত হওয়ার কারণ সহজ সরল বাংলা অনুবাদ সাথে আরবিও রয়েছে এবং প্রতিটি হাদীস ব্যাখ্যাসহ রয়েছে যেন পাঠক সহজে হাদীস প্রেক্ষাপট বুজতে পারে ৷ ইসলামিক ফাউন্ডেশন পুরো বুখারী শরীফ দশখন্ডে রেখেছেন ৷ নিচে বুখারী শরীফ ইসলামিক ফাউন্ডেশন পিডিএফ ও হার্ডকপি দেখুন ৷

২ | সহীহুল বুখারী তাওহীদ পাবলিকেশন্স

তাওহীদ পাবলিকেশন্স এর সহীহ বুখারী শরীফ বাংলা অনুবাদ ও বিস্তারিত টীকা সহ থাকার কারনে বর্তমানে নির্ভরযোগ্য একটি হাদীস গ্রন্থ ৷ পুরো বুখারী শরীফ ছয়খন্ডে সহীহুল বুখারী হিসেবে তাওহীদ পাবলিকেশন্স প্রকাশ করেছেন ৷ মূল আরবির সাথে সহীহ বাংলা অনুবাদ, সঠিক সম্পাদনা, পাঠকবান্ধবভাবে সাজানো থাকার কারণে মাদ্রাসার শিক্ষার্থীসহ, সাধারণ পাঠক, শিক্ষার্থী ও আলেমদের কাছে বেশ গ্রহনযোগ্য একটি হাদীসগ্রন্থ ৷

সহীহুল বুখারী তাওহীদ পাবলিকেশন্স আরও নির্ভরযোগ্য এবং গবেষনামূলক গ্রন্থ হওয়ার কারণ হলো গন্থের প্রতিপাতায় আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত হাদিস নম্বর, হাদিসের ক্রস-রেফারেন্স, সহীহ মুসলিম ও মুসনাদ আহমাদের রেফারেন্সসহ, বাংলা-আরবি দুটি সূচিপত্র একসাথে রাখা হয়েছে ৷ পাশাপাশি রয়েছে আরবি শব্দের শুদ্ধ উচ্চারণ এবং হাদিসে কুদসীগুলোও আলাদাভাবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এ বৈশিষ্টগুলোর কারণে সহজে হাদিস খুঁজে পাওয়া, গবেষণা করা এবং তুলনামূলক পড়াশুনায় সুবিধা হয় ৷

সহীহুল বুখারী তাওহীদ পাবলিকেশন্স পিডিএফ ও হার্ডকপি এখানে দেখুন ৷

৩ | সহীহুল বুখারী হাদীস পাবলিকেশন

এই হাদীস গ্রন্থের অন্যতম কিছু বৈশিষ্টের মধ্যে রয়েছে প্রথমত প্রত্যেকটি অধ্যায়ের সাথে ইমাম বুখারী হাদিসের সাথে কি মিল সেটা তুলে ধরেছেন, দ্বিতীয় তিনি একটা বড় কাজ করেছেন আকিদাগত বিষয়গুলোকে স্পষ্ট করেছেন। তৃতীয়ত পাশাপাশি তাওহীদ, আকীদা ও আল্লাহর সিফাত সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো সহজ ও দলীলভিত্তিকভাবে তুলে ধরা হয়েছে। মতভেদপূর্ণ মাসআলাগুলোতেও একপাক্ষিক অবস্থান না নিয়ে বিভিন্ন মতামত ও তাদের দলীল সংক্ষেপে উল্লেখ করার চেষ্টা দেখা যায়।

আর চতুর্থ হচ্ছে তিনি অন্যান্য গ্রন্থ যেগুলি আগে বের হয়েছে এগুলো ভুলগুলি ধরে শুদ্ধ করতে চেষ্টা করেছেন। সবমিলিয়ে হাদীস পাবলিকেশন এর সহীহুল বুখারী পড়তে পারেন এবং নির্ভরযোগ্য একটি হাদীস গ্রন্থ ৷ এটি অষ্টমখন্ড পর্যন্ত রয়েছে ৷ সহীহুল বুখারী হাদীস পাবলিকেশন পিডিএফ ও হার্ডকপি নিচে দেখুন,,

৪ | সহীহ আল-বুখারী দারুস সালাম বাংলাদেশ

আল কুরআনের পর হাদিস অনুযায়ী আমল করা প্রত্যেক মুসলিমের উচিত। তবে হাদিস অনুযায়ী আমল করার জন্য হাদিসের বিশুদ্ধতা জানার পাশাপাশি হাদিসে সঠিক ব্যাখ্যাও জানা প্রয়োজন। বিশুদ্ধ হাদিস সংকলন সহীহ আল-বুখারীর সংক্ষিপ্ত ব্যাখ্যা এবং প্রতিটি অধ্যায়ে শুরুতে পরিভাষাসমূহে পরিচিত থাকায় দারুস সালাম বাংলাদেশ প্রকাশিত এই হাদীস গ্রন্থটি বেশ পরিচিত ও জনপ্রিয় ৷

এ গ্রন্থে হাদিসের নাম্বারের ক্ষেত্রে বাংলাদেশে প্রচলিত মাকতাবাতুশ শামেলার নাম্বারের পাশাপাশি, তাওহীদ পাবলিকেশন্স, আধুনিক প্রকাশনী এবং দারুস সালাম সৌদি আরবের নাম্বারও সন্নিবেশিত করা হয়েছে। তাই যেকোনো ইসলামি বইয়ে উল্লিখিত হাদিস নম্বর থেকে মূল বুখারীতে হাদিস খুজেঁ বের করা সহজ হবে। এ গ্রন্থটির অনুবাদ যেমন সাবলীল, ছাপা ও কাগজের কোয়ালিটিও তেমন ভালো।

বুখারী শরীফ বাংলা অন্যান্য অনুবাদগুলো

  1. সহীহ বুখারী শরীফ (১ থেকে ১০ খণ্ড একত্রে)—বাড কম্প্রিন্ট এন্ড পাবলিকেশন্স
  2. সহীহ বুখারী শরীফ (বাংলা)—সকল খন্ড একত্রে—জিনিয়াস পাবলিকেশন্স
  3. সহীহ বুখারী শরীফ (সব খণ্ড একত্রে)—আল-এছহাক প্রকাশনী
  4. সহীহ বোখারী শরীফ (১ থেকে ১০ খণ্ড একত্রে) (অফসেট)—মীনা বুক হাউস
  5. বুখারী শরীফ – (১ম-২য় খন্ড)—ইসলামিয়া কুতুবখানা
  6. সহীহুল বুখারী [ বাংলা ব্যাখাসহ ] – তৃতীয় খন্ড—ইউনিভার্সাল ইসলামিক থ্যট (ইউ আই টি)
  7. সহীহ আল বুখারী ১ম-৬ষ্ঠ খণ্ড—আধুনিক প্রকাশনী
  8. বোখারী শরীফ (১-১০ খণ্ড একত্রে)—সোলেমানিয়া বুক হাউস
  9. বঙ্গানুবাদ সহীহ্ বুখারী শরীফ -সব খণ্ড একত্রে—মাহমুদ পাবলিকেশন্স
  10. সহীহ্ বোখারী শরীফ (১-১০ খণ্ড একত্রে) (বড় সাইজ)—সিদ্দিকীয়া পাবলিকেশন্স
  11. সাহীহ্ আল বুখারী – ৪র্থ খণ্ড—বাংলাদেশ ইসলামিক সেন্টার
  12. শব্দে শব্দে তাকরীরে বুখারী শরীফ ১ম ও ২য় খণ্ড—রাহবার পাবলিকেশন্স

বুখারী শরীফ বাংলা PDF (সব প্রকাশনী) | Bukhari Sharif Hadees Bangla Anubad Book

বইটির পিডিএফ অনেক পাঠক অনলাইনে খুঁজে থাকেন। সম্ভব হলে নিচ থেকে হার্ডকপি অর্ডার করতে পারেন। এতে লেখক ও প্রকাশকদের নতুন বই প্রকাশে উৎসাহ বাড়ে। আমি বলবো একবার হলেও বইটি পড়ুন। বেশি বেশি বই কিনুন, বই পড়ুন। বই মানুষের নিঃস্বার্থ বন্ধু এবং অজানাকে জানার সেরা মাধ্যম।

15

একটু অপেক্ষা করুন, পিডিএফ খোঁজা হচ্ছে...

একটু অপেক্ষা করুন, অর্ডার লিংক তৈরি হচ্ছে...

BoiLover

Boi𝗟𝗼𝘃𝗲𝗿~বইলাভার

Join Telegram

হাদীস কাকে বলে?

শাব্দিক অর্থে কথাবার্তাকে হাদীস বলা হয়। পরিভাষায় মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ)-এর মুখ নিঃসরিত বাণী, ক্রিয়া কলাপ এবং প্রত্যক্ষ পরোক্ষ মৌন সম্মতিকেও হাদীস বলা হয়। এতদ্ব্যতীত সাহাবায়ে কেরাম (রা)-ও তাবেয়ীগণের কথাবার্তা, কাজকর্ম এবং মৌন সম্মতিও হাদীস হিসাবে গ্রহণযোগ্য।

ইসলামের মূল চারটি বিধান- কুরআন, হাদীস, ইজমা ও কিয়াস। এর মধ্যে কুরআনের পরই হাদীসের গুরুত্ব দেয়া হয়। বস্তুত কুরআনের ব্যাখ্যাই হল হাদীস। যেহেতু রাসূল (সাঃ) নিজের মন থেকে কিছু বলতেন না বা কোন নির্দেশ জারি করতেন না। তিনি যা কিছু বলতেন আল্লাহর হুকুমেই বলতেন। এজন্য আল্লাহ পাক বলেন-

مَا أَنكُمُ الرَّسُولُ فَخُذُوهُ وَمَا لَهُكُمْ عَنْهُ فَانْتَهُوا .

অর্থাৎ রাসূল (সাঃ) তোমাদের নিকট যা নিয়ে আগমন করেছেন তা তোমরা গ্রহণ কর আর তোমাদেরকে যা করতে নিষেধ প্রদান করেন তা থেকে তোমরা ফিরে থেক। সুতরাং আমরা নবীর তরীকা মতে নিজের জিন্দেগী পরিচালনা করব এবং তাঁর নির্দেশাবলী মেনে চলতে বাধ্য থাকব।

হাদীস গ্রন্থের ইতিকথা

ইসলামী জীবন বিধানে পবিত্র কুরআন শরীফের পরই হাদীস শাস্ত্রের স্থান। রাসূল (সাঃ)-এর যুগে তাঁর হুকুমেই পবিত্র কুরআনের আয়াতসমূহ কাগজ না থাকায় গাছের পাতায়, বাকলে, পাথরে কাঠের উপরে ও চামড়ায় লিখে রাখা হত। এতদ্ব্যতীত হাফেজে কুরআনগণও মুখস্থ করে আয়াতগুলো সংরক্ষণ করত।

রাসূল (সাঃ)-এর জীবদ্দশায় হাদীস লিপিবদ্ধ করে সংরক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়নি হাদীস ও কুরআনের আয়াতের সঙ্গে সংমিশ্রণ হয়ে যাওয়ার আশংকায়। কোনটি কুরআনের বাণী আর কোনটি নবীর হাদীস তা পার্থক্য করা উম্মতের পক্ষে কঠিন হবে বিধায় তিনি হাদীস লিখিতভাবে সংরক্ষণের নির্দেশ দেননি।

সাহাবায়ে কেরাম মুখস্থ করে করে হাদীসসমূহ তাঁদের বক্ষে ধারণ করে রেখেছেন। এরপর নবী (সাঃ)-এর ইন্তেকালের পর সাহাবায়ে কেরাম মৌখিকভাবে হাদীস চর্চা করতে থাকেন। কোন কোন সাহাবা কতেক হাদীস লিখে ও মুখস্থ করে সংরক্ষণের চেষ্টা করেছেন। রাসূল (সাঃ)-এর নির্দেশে হযরত আবু শাহ ইয়ামানি কিছু হাদীস লিখে রাখেন। এতদ্ব্যতীত হযরত আবু বকর (রা), হযরত আবদুল্লাহ ইবনে আমর (রা) সহ আরো অনেক সাহাবী কিছু হাদীস লিপিবদ্ধ করে রেখেছিলেন বলে জানা যায়।

পাণ্ডুলিপি বড় হয়ে যাওয়ার আশংকায় তিনি অনেক সহীহ হাদীসও লিপিবদ্ধ করেননি। হযরত ইমাম বুখারী বলেন, পাণ্ডুলিপি বড় হয়ে যাওয়ার আশংকায় তিনি অনেক সহীহ হাদীসও লিপিবদ্ধ করেননি। হযরত ইমাম বুখারী বলেন, বুখারী শরীফের হাদীস লেখার আগে আমি সর্বদা নতুন করে গোসল করে দু-রাকআত নফল নামায পড়ে তবেই লেখা শুরু করতাম।

আব্দুল কুদ্দস ইবনে হাম্মাম থেকে বর্ণিত, ইমাম বুখারী বুখারী শরীফের অধ্যায়গুলো রাসূল মাজার শরীফ ও মিম্বর শরীফের মাঝখানে বসে লিপিবদ্ধ করেছেন।

ইমাম বুখারী (র) অত্র গ্রন্থ দ্বারা উম্মতে মুহাম্মদীর কল্যাণ কামনার্থে আল্লাহর দরবারে দোয়া করে গেছেন।

ফাতহুল বারী কিতাবের ভূমিকায় উল্লেখ আছে বুখারী শরীফের হাদীসের সংখ্যা ৭২৭৫ খানা, মতান্তরে ৭৩৯৭ বা ৯০৮২।

বিশ্বস্ত সূত্রে জানা যায় ইমাম বুখারী (র) তার কিতাব রচনার পূর্বে উক্তি করেছিলেন যে, তিনি মুত্তাসেল সনদে বর্ণিত বিশিষ্ট সাহাবীদের থেকে বিশ্বস্ত ও নির্ভরশীল রাবীদের মাধ্যমে প্রাপ্ত হাদীস ব্যতীত অন্য কোন হাদীস বুখারীতে লিপিবদ্ধ করবেন না। আর কার্যত তাই করেছেন।

রাসূল থেকে হাদীস অন্তত দু-দু-জন বিশিষ্ট সাহাবীর মাধ্যমে দু-দু-জন সেকাহ তাবেয়ী কর্তৃক বর্ণনা করা হয়েছে এরপর তাদের থেকে হুবহু বর্ণনা করা হয়েছে কোন কম-বেশ করা হয়নি এমন সব হাদীসই সহীহ বুখারী ও মুসলিম শরীফে লিপিবদ্ধ করা হয়েছে। সুতরাং এ কিতাবদ্বয় মুসলিম সমাজের বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ বিধান সম্বলিত হাদীসের কিতাব। কুরানের পরই যার গুরুত্ব।

ইমাম বুখারী যেমন প্রখ্যাত মুহাদ্দেস তেমনি একজন স্বনামধন্য ফকীহও। তিনি হাদীসের অধ্যায়গুলো রচনার সময় কুরআনের অনেক আয়াতও দলিল হিসাবে পেশ করেছেন। তিনি বিভিন্ন হাদীসের ব্যাখ্যাও করেছেন। তিনি হাদীসগুলোকে বিষয়ভিত্তিক প্রণয়ন করেছেন যাতে তা থেকে মাসআলা নিরূপণ করতে সহজ হয়। কাজেই তাঁকে উম্মতের ইমাম বলা যায়। প্রায় বারশত বছর ধরে এ কিতাবখানা পৃথিবীর বিভিন্ন ভাষায় অনূদিত হয়ে বিভিন্ন দেশের মুসলমানদের প্রভূত কল্যাণ সাধিত হচ্ছে।

সাম্প্রতিক বই ইসলামিক বই উপন্যাস বই বইমেলা ২০২৬ সকল ক্যাটাগরি সম্মানিত লেখকগণ আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ