মাওলানা মুহাম্মাদ ছফিউল্লাহ কুমিল্লায়ী লেখা মিলাদুন্নবী ও কিয়াম বিতর্কের সরল সমাধান বই PDF অনেক পাঠক অনলাইনে খুঁজে থাকেন ৷ পাঠকের পড়ার সুবিধার্থে বইটির পিডিএফ অনলাইন থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে ৷ মিলাদ, কিয়াম ও মিলাদুন্নবী নিয়ে বই পেতে পিডিএফপড়.কম এর পাশেই থাকবেন ৷
‘মিলাদুন্নবী ও কিয়াম বিতর্কের সরল সমাধান’ বইয়ে মৌলিকভাবে দুটি বিষয় স্থান পেয়েছে এক. ‘ঈদে মিলাদুন্নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর বিশ্লেষণ’ দুই. প্রচলিত মিলাদ কিয়াম এর বিশ্লেষণ’। ‘ঈদে মিলাদুন্নবী’ বাক্যটি অনেকের নিকট পরিচিত। তা শুধু আমাদের দেশে-ই নয়, বিশ্বের অন্যান্য দেশেও বাক্যটি পরিচিত। বিভিন্ন দেশে এ দিনটি রাষ্ট্রীয় ছুটির দিন হিসেবেও ঘোষণা রয়েছে। তাই দুই ঈদের মতো এ দিনকেও কেউ-কেউ ঈদ হিসেবে উদ্যাপন করে। অনেকে তো তা ইসলামের একটি শেআর বা প্রতীক হিসেবে গণনা করে।
আর ‘প্রচলিত মিলাদ-কিয়াম’ আমাদের দেশের এক শ্রেণীর ‘আশেকে রাসূল’ দের নিকট ফরয বা ওয়াজিবের পর্যায় আরেক জামাতের নিকট মুখে মুস্তাহসান আর আমলে সুন্নত বা ওয়াজিবের পর্যায়। এই দুটি বিষয়ের শরয়ী সমাধান নিয়ে অনেক মোহাক্কেক আলেম আরবী ও উর্দু ভাষায় বিভিন্ন আঙিকে গ্রন্থ রচনা করেছেন। প্রবন্ধ নিবন্ধ রচনা করেছেন। আবার কেউ কেউ গবেষণামূলক ফতওয়া লিখার মাধ্যমেও তার বাস্তবতা উম্মতের নিকট উপস্থাপন করার চেষ্টা করেছেন। তারপরও আমার নিকট মনে হলো যেনো এখনো কিছুটা বাকী রয়েছে এখনো একটু শূন্যতা রয়ে গেছে। (বই থেকে সংগ্রহ)
মিলাদুন্নবী ও কিয়াম বিতর্কের সরল সমাধান বই বিবরণ
- বইঃ মিলাদুন্নবী ও কিয়াম বিতর্কের সরল সমাধান ৷
- লেখকঃ মাওলানা মুহাম্মাদ ছফিউল্লাহ কুমিল্লায়ী ৷
- প্রকাশনীঃ বাইতুত তাহকীক ৷
- ক্যাটাগরিঃ মিলাদ ও কিয়াম বই ৷
📑 সূচিপত্র
আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরী রহ. এর অভিমত ও দোয়া
আমাদের দেশে বহুল আলোচিত বিদআতগুলোর অন্যতম একটি হলো মিলাদ-কিয়াম। আমাদের হক্কানী উলামায়ে কেরাম যুগ যুগ ধরে হক প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে এবং বাতিলকে মিটানোর উদ্দেশ্যে বয়ান-বক্তৃতা ও রচনার মাধ্যমে দ্বীনের খেদমত আঞ্জাম দিয়ে আসছেন। আযীয মাওলানা ছফিউল্লাহ কুমিল্লায়ী সে সূত্র ধরেই “মিলাদুন্নবী ও কিয়াম বিতর্কের সরল সমাধান” শিরোনামে একটি চমৎকার রচনা তৈরি করেছেন। আমি যদ্দুর জেনেছি, এটি মিলাদ-কিয়ামের উপর স্বতন্ত্র ও গবেষণামূলক পুস্তক। এ বিষয়ে খুটিনাটিসহ বিস্তারিত আলোচনা এসেছে এ রচনায়। সমৃদ্ধ এ রচনাটি এ বিষয়ে পাঠকদের পিপাসা নিবারণ করবে বলে আশা করছি। দোয়া করি আল্লাহ তাআলা গ্রন্থ, তার লেখক ও এর সাথে সংশ্লিষ্ট সবাইকে কবুল করুন এবং এ গ্রন্থের লেখককে আমৃত্যু হক ও হক্কানিয়াতের আলো ছড়ানোর তৌফিক দান করুন। আমীন।
প্রচলিত মিলাদ-কিয়াম এবং শরীয়তের আলোকে তার হুকুম
মিলাদ-কিয়াম ফাতেমী খলীফা মুয়িজ লিদিনিল্লাহ এর প্রবর্তিত মিলাদুন্নবীর একটি অংশ। কিন্তু মুয়িজ লিদিনিল্লাহ থেকে মিলাদুন্নবী শুধুমাত্র বক্তব্য ও কোরআন তেলাওয়াতের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে বাদশাহ মুজাফফুরুদ্দীনের সময় পর্যন্ত। তার থেকে আরও সংযোজনসহ তা চালু থাকে তকী উদ্দীন সুবকী রাহ. এর সময় পর্যন্ত। তারপর থেকে প্রবর্তিত মিলাদুন্নবীর সাথে যুক্ত হয় ‘কিয়াম’। প্রতি বৎসর রবিউল আউয়াল মাসে মিলাদুন্নবী পালনের এই ধারা অব্যাহত থাকে অনেক দিন পর্যন্ত।
বর্তমান সময়ে মিলাদুন্নবীর মিলাদ-কিয়াম অধ্যায়টি শুধু রবিউল আউয়াল মাসেই সীমাবদ্ধ থাকেনি; বরং প্রত্যেকের ঘরে ঘরে তা উদযাপিত হচ্ছে। মসিবত থেকে উদ্ধার পাওয়ার আশায়, নেক উদ্দেশ্য পুরা হওয়ার আশায়, পিতা- মাতার মৃত্যু তারিখে এবং সন্তানের জন্ম তারিখে মিলাদের অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়।
এমনিভাবে জুমআর নামাযের পর, ঈদের নামাযের পর, জানাযার পর, কোনো এলাকাতে প্রতিদিন ফজর নামাযের পরও মিলাদ মজলিস অনুষ্ঠিত হয়। (যা বৎসরে একবার হতো তাই বিভিন্ন কারণে বেদআত। সুতরাং যাকে বর্তমানে প্রায় ফরয বা ওয়াজিবের সমান মান দেওয়া হচ্ছে তার হুকুম কি হবে সচেতন পাঠক বুঝতে পারছেন? বিস্তারিত হুকুম সামনে আসছে।) (বই থেকে)
কিছু ভিত্তিহীন ও জাল বর্ণনা
মিলাদ ও তার বিভিন্ন আনুষ্ঠানিকতা হচ্ছে সপ্তম হিজরীর উদ্ভাবন, কিন্তু আমাদের সমাজে পরিভাষায় যাকে মিলাদ পড়া বা মিলাদ পড়ানো বলা হয় এবং যা কোনো মকসুদ হাসিলের জন্য বা খায়ের-বরকত লাভের জন্য কিংবা কোনো সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য কিংবা মৃত ব্যক্তির ঈসালে সওয়াবের জন্য বিভিন্ন সময়ে এবং বিশেষ ফজিলতের দিনে-রাতে হয়ে থাকে তা আরও পরের প্রচলন।
মিলাদের সাথে ‘পড়া’ শব্দটির সংযুক্তি থেকেও তা বুঝা যায়। কেননা, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের জন্মবৃত্তান্ত তো বলার বিষয়, পড়ার বিষয় নয়। তবে এমন হতে পারে যে এ বিষয়ের উপর কোনো কিতাব থেকে কেউ পড়বে আর অন্যরা শুনবে। ‘মিলাদের শৈশবে’ এমন প্রচলন কোথাও ছিল। কিন্তু পরবর্তীতে এটাকেও মুশকিল মনে করার কারণে কতিপয় বে-ইলম মৌলভী কিছু ‘মিলাদনামা’ তৈরী করল, যা লোকেরা মুখস্ত আওড়াতো এবং আগে পিছে সালাত-সালাম এবং আয়াত-কালাম যোগ করে নিতো। এর নাম হল মওলুদখানী বা মিলাদ পড়া।
আমাদের দেশের অনেক অঞ্চলে ولما تم مِنْ حَمْلِهِ صلَّي الله عليه وسلَّم شَهْرَانِ এই মিলাদনামাটি প্রচলিত রয়েছে। এটি বা এ জাতীয় আরও যেসব মিলাদনামা মওলুদখানীর মজলিসগুলোতে পড়া হয় এগুলো হাদীস ও সীরাতের কিতাবাদি তো দূরের কথা, খাইরুল কুরুনও বহুদূর, পরবর্তী শত বছরেও এসবের নাম নিশানাও ছিল না। (বই থেকে)
মিলাদুন্নবী ও কিয়াম বিতর্কের সরল সমাধান বই PDF ডাউনলোড
বইটির পিডিএফ অনেক পাঠক অনলাইনে খুঁজে থাকেন। সম্ভব হলে নিচ থেকে হার্ডকপি অর্ডার করতে পারেন। এতে লেখক ও প্রকাশকদের নতুন বই প্রকাশে উৎসাহ বাড়ে। আমি বলবো একবার হলেও বইটি পড়ুন। বেশি বেশি বই কিনুন, বই পড়ুন। বই মানুষের নিঃস্বার্থ বন্ধু এবং অজানাকে জানার সেরা মাধ্যম।
একটু অপেক্ষা করুন, পিডিএফ খোঁজা হচ্ছে...
একটু অপেক্ষা করুন, অর্ডার লিংক তৈরি হচ্ছে...

